নিপুণের পুতুল ইলিয়াস কাঞ্চন: জায়েদ খান

সময়ের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সিনেমা দিয়ে আলোচনায় না থাকলেও বর্তমানে কথা দিয়ে আলোচনার শীর্ষে তিনি। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।  সেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ আক্তার বিষয়েও কথা বলেন জায়েদ খান।  
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীতে একটি মেলা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন শিল্পীদের সভাপতি হতে পারেননি। তাকে যেভাবে নিপুণ মাথা নাড়াতে বলে সেভাবেই নাড়ান তিনি। নিপুণের পুতুল তিনি!
এসময় এক প্রশ্নের উত্তরে জায়েদ খান বলেন, সাধারণ সম্পাদক নিয়ে মূল্যায়ন নেই। সাধারণ সম্পাদক (নিপুণ আক্তার) অবৈধ। কারণ তিনি পাশ করেনি। অবৈধ বিষয় নিয়ে আমি কথা বলব না। জমি দখলের মতো জোর করে বসে আছে। ইলিয়াস কাঞ্চন অবৈধ সাধারণ সম্পাদকের সভাপতি। বাস্তব সভাপতি হতে পারেননি। তিনি এখনো কমিটির ২১ জনকে এক করতে পারেননি।
জায়েদ খান আরও বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন শিল্পীদের সভাপতি হতে পারেননি। তিনি একজনের সভাপতি। রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিরাপদ সড়ক চান কিন্তু নিজে আইনকানুন কিছুই জানেন না। তাকে যেভাবে নিপুণ মাথা নাড়াতে বলে সেভাবেই নাড়ান তিনি। নিপুণের পুতুল তিনি!
নির্বাচন না করলেও প্যানেল থাকবে জায়েদ খানের। সেই প্যানেলের সমর্থন করবেন তিনি। তার কথায়, আমার পোস্টে থাকাটা জরুরি নয়। কাজ করা জরুরি। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। সেটা ডিপজল-রুবেল ভাইদের সঙ্গে। তারা যখন ডাকবেন তখনই আমাকে পাবেন। শুনেছি ডিপজল ভাই ও মৌসুমী মিলে প্যানেল সাজাবেন। যদি তাই হয় তাহলে আমি তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। এছাড়া প্যানেল তো একা হয় না। ২১ জনের প্যানেলে যে সিদ্ধান্ত আসবে আমি সেটাই মেনে নেব।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তারের মধ্যকার সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে চলমান দ্বন্দ্ব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সাধারণ সম্পাদকের পদটি নিয়ে জায়েদ-নিপুণের ভাগ্য এখন আদালতের হাতে। কবে নাগাদ সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে চলমান দ্বন্দ্ব সুরাহা হবে তাও অজানা। অন্যদিকে, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষের দিকে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে নতুন মেয়াদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে।

বিজ্ঞাপন