কমলালেবু, আম ও কলার চেয়ে বহুগুণ বেশি ভিটামিন আমলকিতে

১২

আমলকি পরিচিত একটি ফল। এর স্বাদ একটু ব্যতিক্রম ধরণের, অন্য ফলের সঙ্গে মেলে না। প্রথম টক স্বাদের মনে হলেও খাওয়ার পরে এক ঢোক পানি পান করলে দেখবেন কী দারুণ মিষ্টি স্বাদ! এদিকে শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি মেটাতে আমলকি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন আমলকি।
আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। কমলালেবুর চেয়ে ২০ গুণ, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে।
চুল ভাল রাখতে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। চুলের গোড়া মজবুত করে, খুসকির সমস্যা মেটায়, পাকা চুল প্রতিরোধ করে ! এখানেই শেষ নয় ! চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে আমলকি।

আমলকি হজমশক্তি বাড়ায়। বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যাও দূর করে। এক গ্লাস দুধ বা জলে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খান। এ্যাসিডেটি ধারেকাছে ঘেঁষবে না! রোজ সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর হয়, ত্বক উজ্জ্বল হয়। আমলকিতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের জন্য উপকারি। আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চোখ চুলকানো বা জল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই মেলে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খান। রোজ সকালে নিয়মিত আমলকি খেলে ওজন কমবে ঝটপট।পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখে, পেশী মজবুত করে, হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস ভাল রাখে, মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরলও কমায়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.