1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে টিকটক করা নিয়ে দ্বন্ধে স্ত্রীকে হত্যা কাল থেকে ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দায় স্বীকারের পরও মুক্তি রাবিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৪১ জনের যোগদান স্থগিত দেশের শক্তিশালী ঝড়ের আভাস কাবুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫ শেরপুরে ইফতার করে নামাজ পড়ার সময় বৃদ্ধার মৃত্যু মাদারীপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে মাইজবাড়ী ইউনিয়নে হতদরিদ্রের মাঝে অর্থ বিতরণ শিবগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা দোয়া মাহফিল বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের রোশানল থেকে বাঁচতে এমপির হস্তক্ষেপ কামনা প্রকল্পের ভেতরে লেপ-তোশকে মোড়ানো নারীর মরদেহ রিকশা চালকের থেকে ৬০০ টাকা নেওয়ায় তিন পুলিশ বরখাস্ত সাকিব করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ, রিপোর্টের অপেক্ষায় মুস্তাফিজ খালেদার বিদেশে চিকিৎসা: আইনমন্ত্রণালয়ের মতামত আজ করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স কাজিপুরে করোনাকালে অসহায়দের পাশে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজাপুরে ১৮ দীর্ঘ মাস পরে হত্যার মামলা রেকর্ড লালপুরে ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা পেল অসহায় কাবিল উদ্দিন কাউনিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

হাল ছাড়েনিনি তিন সন্তানের জননী মর্জিনা বেগম, জীবিকার তাগীদে ঝাল মুড়ি বিক্রি

  • সর্বশেষ সংস্করণ : সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
  • ২ বার দেখা হয়েছে

আরিফুর রহমান,মাদারীপুরঃ
দারিদ্রের কষাঘাতে জীবন-জীবিকার তাগীদে ঝাল মুড়ি বিক্রি করছেন মাদারীপুরের মর্জিনা বেগম (৩৫)।স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই।স্বল্পপিুজি নিয়ে নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্র করতে।মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝালমুড়ির বাটি হাতে দেখা মেলে মর্জিনার।
মাদারীপুর সদর উপজেলা মোস্তফাপুর ইউনিয়নে মেইল গেট এলাকায় মর্জিনা বেগম এর বসবাস।বিয়ে হয়েছিল মুন্সিগঞ্জের ছালাম ব্যাপারীর সাথে। মর্জিনা বেগম এর স্বামী ছালাম ব্যাপারী পেশায় ছিলেন একজন বেলুন বিক্রেতা , রাস্তায় হেটে হেটে বেলুন বিক্রি করতেন তিনি। এক ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে ছিল তাদের অভাবের সংসার। ভিটে মাটি হীন স্বামীর সংসারে একটি ভাড়া বাড়িতে টেনেটুনে চলছিল মর্জিনা বেগম এর পাঁচ সদস্যের সংসার। ক্যান্সারে আক্রান্তহয়ে স্বামী মৃত্যু রবণ করেন। এর পর মর্জিনা বেগম এর সংসারে. নেমে আসে অন্ধকার।নিরুপায় হয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে চলে আসেন বাবার বাড়িতে।এখানে এসেও দারিদ্রতা পিছু ছাড়েনি তাকে। বাবার বাড়িতে ভিটে টি ছাড়া সহায় সম্পদ বলতে আর কিছু নেই মর্জিনার । মর্জিনার বড় ছেলে শাওন ব্যাপারী (১৩) দিন মজুরের কাজ করলেও তাতে চলছিল না সংসার। তবে হাল ছাড়েন নি মর্জিনা বেগম।

Alal Group

অবশেষে স্বল্পপূজি নিয়ে মর্জিনা নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রি করতে। নিজ এলাকাতে লজ্যায় ঝালমুড়ি বিক্র করতে না পারায় লোকলজ্যর ভয়ে নিজ এলাকা ছেড়ে চলে আসেন মাদারীপুর শহরে। এখানে এসে ডিসি ব্রিজ ২ নং শকুনি এলাকায় একটি টিনের বাসায় ভাড়া থাকেন তার ১ছেলে ২মেয়ে নিয়ে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে ঝালমুড়ি বিক্র করেন জিবন সংগ্রামী এই নারী যোদ্ধা। ঝালমুড়ি বিক্র করে দিনে আয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আর তাতেই ঘুরছে আবার ঘুরছে না মর্জিনার সংসারের চাকা।
অসহায় মর্জিনা বেগম বলেন, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি ঝাল মুড়ি বিক্র করি। অনেক কষ্ট হয় সংসার চালানোর জন্য। আমার সংসা চালানোর মত কোন পুরুষ নেই। তিনটা বাচ্চা নিয়ে আমি অসহায়। আমি পরি না ভিক্ষাও করতে ভিক্ষা চাইলে মানুষ আমাকে লজ্ব্যা দিব।তাই আমি রাত নেই দিন নেই ছেলে মেয়েদের বাসায় রেখে রাস্তায় ঘুরি আর ঝাল মুড়ি বিক্র করি।নানান মানুষে নানান কথা বলে আমি মনে কিছু নেই না আমার ছেলে মেয়েদের জন্যই তো করি।যদি পারেণ আমারে সাহায্যের হাত বাড়ান আমারে কেউ একটা কর্মস্থানের ব্যাবস্থা করে দেন।মর্জিনার থেকে ঝাল মুড়ি কিনতে আশা এক ব্যাক্তি জানান, আমি আজ পর্যন্ত দেখি নি কোন মহিলা ঝাল মুড়ি বিক্র করে। সমাজের বিত্যবান যারা আছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ এই অসহায় মহিলার পাশে এসে দাড়ানোর জন্য।
ক্রেতা রাসেল হাওলাদার বলেন, আমি আজো পরর্যন্ত দেখিনি কোন মহিলা রাস্তায় এসে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে। সমাজের বিত্তবান যারা আছে তাদের কাছে আমার অনুরোধ, সবাই যেন এই মহিলার পাশে এসে দাড়ায়।

অন্য আরেক ক্রেতা ওয়াহিদুজ্জামান কাজল জানান, সে প্রতিনিয়ত এখানে এসে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে থাকে। একটা মহিলা কতটা অসহায় হলে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে। সে আসলে খুবি অসহায়।
কেনদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মোঃ মজিবর রহমান বলেন, আমি এর আগে তার ব্যাপারে কোন তথ্য পাইনি। সে আমার কাছে কখনো সাহায্যের জন্য আসে নি। আমার হাতে এই মূহুর্তে সরকারী কোন ফান্ড নেই তাকে সাহায্য করার মত। তবে তার ব্যাপারে যদি কারো কাছে কোন সুপারিশ করা লাগে আমি করবো।
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, মর্জিনা বেগম কে আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করে দেয়ার মত কোন প্রকল্প আমাদের হাতে নেই। তবে সাবাই যাদি এগিয়ে আসে তাহলে আমি আমার ব্যাক্তিগত ভাবে তাকে সাহায্য করবো। পরবর্তীতে সরকারি কোন প্রকল্প আমাদের হাতে আসলে তার বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় রাখবো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com