কোভ্যাক্স থেকে ১ কোটি ৯ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

১৯

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উদ্যোগে কোভ্যাক্স কর্মসূচির টিকা বিতরণ শুরু হয়েছে। কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ আগামী জুনের আগে ১ কোটি ৯ লাখ ৮ হাজার টিকা পাচ্ছে। মঙ্গলবার (০২ মার্চ) বিশ্বজুড়ে কোভ্যাক্সের টিকা বিনা মূল্যে সরবরাহের একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, আগামী জুনের আগে যে সব দেশ টিকা পাবে তার মধ্যে বাংলাদেশ আছে ৪ নম্বরে। এ ছাড়া অন্যদেশগুলো হলো নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ব্রাজিল। আর আগামী মে মাসের শেষ নাগাদ বিশ্বের ১৪২টি দেশে ২৩ কোটি ৮২ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করবে কোভ্যাক্স।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী কোভাক্স কর্মসূচির আওতায় ডব্লিউএইচও বিশ্বব্যাপী কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনের প্রায় দুইশ’ কোটি ডোজ বছরের শেষের দিকে সরবরাহ করার লক্ষ্য নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মসূচিটির লক্ষ্য হলো বিশ্বের সমস্ত দেশগুলির মধ্যে ভ্যাকসিনগুলি সুষ্ঠুভাবে ভাগ করে দেওয়া। ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফ জানিয়েছে, কোভিড ভ্যাকসিনগুলির প্রথম চালানের একটি অংশ নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের কয়েকটি দেশে দেওয়া হবে। তালিকায় এর পরে রয়েছে- ইথিওপিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, মিশর ও ভিয়েতনাম।

ইরান, মিয়ানমার, কেনিয়া ও উগান্ডাও টিকা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে। প্রতিটি দেশ ৩০ লাখের বেশি টিকা পাবে। মে মাসের শেষের দিকে ভারত কোভ্যাক্সের টিকা সবচেয়ে বড় প্রাপক হতে পারে, তবে মঙ্গলবার বিতরণ তালিকা প্রকাশের আগে এর বরাদ্দ চূড়ান্ত হয়নি।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ টুভালু ৪ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পাবে। নাউরো ও মোনাকো পাবে মাত্র ৭ হাজার ২০০ ডোজ টিকা।কোভ্যাক্স কর্মসূচিতে এ বছর শেষ হওয়ার আগে ৯২টি দরিদ্র দেশের ২৭ শতাংশ জনগণকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
গত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কোভ্যাক্সের টিকা পেয়েছে আফ্রিকার দেশ ঘানা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.