২৮ বছরেও শেষ হয়নি নন্দীগ্রামের শামছুজ্জোহা হত্যার বিচার

৩২

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের মেধাবী ছাত্রনেতা শহীদ শামছুজ্জোহা’র ২৮তম মৃত্যু বার্ষিকী ছিল মঙ্গলবার। ১৯৯৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি নন্দীগ্রামে ছাত্রলীগের প্রচার মিছিলে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা শামছুজ্জোহা নিহত হন।
মঙ্গলবার সকালে শহীদ শামছুজ্জোহা’র ২৮ তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নন্দীগ্রামে ছাত্রলীগের আয়োজনে তার স্মৃতিফলকে পুস্পস্তর্বক অর্পণ ও শোক সভা করা হয়। দিবসের কর্মসূচির মধ্যে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়।

জানা গেছে, ১৯৯৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নন্দীগ্রাম শহীদ আকরাম সড়কের সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস এলাকায় ছাত্রলীগের প্রচার মিছিলে হামলায় ছাত্রলীগ নেতা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শামছুজ্জোহা নিহত হন। এ ঘটনায় ২০ জন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষে বড় ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ বাদী রয়েছেন। বর্তমানে মামলাটির বিচার কাজ শুরু হয়েছে, চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তুহিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শুভ আহমেদের সঞ্চনালয় সংক্ষিপ্ত শোক সভায় বক্তব্য রাখেন, নিহতের বড় ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, পৌরসভার মেয়র ও পৌর আ’লীগের সভাপতি আনিছুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্ত, কৃষক লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক সাঈদ রায়হান মানিক, স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান সবুজ, ছাত্রলীগ নেতা রিফাত আলী, জয়দেব সাহা, আবু তৌহিদ, দুলাল হোসেন, আল-জাহিদ, আকাশ প্রমূখ।
মামলার বাদী উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ বলেন, মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। আশা করছি আমার ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচার পাবো।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.