কাজিপুরে এইখানে এক নদী ছিল

১০

টি এম কামাল ॥ আর কয়েক বছর পর স্মৃতির পাতা থেকে হয়তো হারিয়ে যাবে ইছামতি নদী। স্থানীয় লোকজন স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে বলবেন, এইখানে এক নদী ছিল…। কালের আবর্তনে মরে গেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের ইছামতি নদী। পানি শূন্য হয়ে পড়ায় নদীর বুকে আবাদ হচ্ছে বিভিন্ন ফসলের। স্থানীয়রা জানান, আগে ঘর থেকে বের হলেই শোনা যেতো নদীর কলকল ধ্বনি। রং-বেরংয়ের পালতোলা নৌকা প্রকৃতিতে যোগ করতো অপরূপ সৌন্দর্য। মাঝি-মাল্লার ভাটিয়ালী গানে নদী মুখরিত থাকতো সারাক্ষণ। দিনভর জনসাধারণের পদভারে জমে উঠতো নদীর ঘাটগুলো। এ সবই এখন শুধুই স্মৃতি।

কালের আবর্তনে কাজিপুরের পশ্চিম সিমান্ত বুক জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। লোকজন জবর-দখল করে আবাদ করছে। নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে বেকার হয়ে পড়েছে এলাকার শত শত মৎস্যজীবী। অভিজ্ঞ লোকজনের ধারণা নদীটি খনন করা হলে মৎস্য চাষসহ আবাদি জমিতে সেচের ব্যবস্থা করা যাবে। কৃষকরা উপকৃত হবে। সাশ্রয় হবে অনেক টাকা। স্থানীয় লোকজন বলছেন, একসময় এ নদীর উপর দিয়ে পাল তোলা নৌকা চলতো। দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসতো ব্যবসা করার জন্য। নদী পথে বিভিন্ন প্রকার পণ্য সরবরাহ করতো লোকজন। কিন্তু শুকনো মৌসুমে সেই নদীর পানি প্রবাহ এখন শূন্যের কোঠায়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.