বাগেরহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু

১৬

আল আমিন খান সুমন,বাগেরহাট ,
বাগেরহাট সদর উপজেলার রাধাভল্বব এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ইকরাম শেখ (৫০) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি)সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে রাধাভল্লব এলাকায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।এর আগে ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার স্থানীয় সিদ্দিক হাওলাদার ও তার ছেলেদের নেতৃত্বে ইকরামের উপর হামলা করে। এসময় ইকরাম ও তার বোনের ছেলে মোহসিন শেখ (৩৫)মারাত্মক আহত হয়।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় আহতদের।
নিহত ইকরাম শেখ রাধাভল্লব এলাকার খালেক শেখের ছেলে। সে পাশ্ববর্তী পুঠিমারী ব্রিজের পাশে মুদি দোকানদার ছিলেন।আহত মোহসিন শেখ একই এলাকার বারেক শেখের ছেলে।মোহসিন শেখ এখনও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

হামলার পরে আহত মোহসীন শেখের পিতা বারেক শেখ বাদী হয়ে রাধাভল্লব এলাকার সিদ্দিক হাওলাদার, সিদ্দিকের ছেলে সবুজ হাওলদার, সজিব হাওলাদার, ইব্রাহিম হাওলাদার, কেবি বাজার এলাকার আবু হোসেনের ছেলে নাসির এবং গোব দিয়া এলাকার লতিফসহ ৬জনকে আসামী করে বাগেরহাট মডেল থানায় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
বারেক শেখ বলেন, বিভিন্ন যাায়গা থেকে অপরাধীরা এসে স্থানীয় লোকেদের উপর প্্রতিনিয়ত অন্যায় অত্যাচার করেই চলেছে । এই এলাকায় জমি-জমা বেচা কেনার দালালদেরও প্রভাবভ বেড়ে চলেছে তার কারনে বহিরাগত মাস্তানদের আনাগোনা ও প্রভাবে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ আজ আমার শ্যারককে হারালাম আরযেন বিনাদোষে কোন মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়। আমি এই খুনের বিচার চাই।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওস) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, হামলার পরে আহত মোহসীনের বাবা বারেক শেখ বাদী হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের ঘটনা উল্লেখ করে ৬জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। যেহেতু আহত ব্যক্তি মারা গিয়েছে ওই মামলাটিই হত্যা মামল

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.