শেরপুরে খিরার গাছের ডগায় কৃষকের স্বপ্ন

১৯

আব্দুল ওয়াদুদ :
সবুজ মখমলের মত বিছিয়ে রয়েছে খিরার গাছ। সবুজ পাতার মাঝে হলুদ ফুল যেন উকি দিচ্ছে। আর খিরার ডগায় ডগায় রয়েছে সবুজ কচকচে খিরা। খিরার বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষকরা। খিরাগাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর ১০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষ হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার কুসুম্বি, খামারকান্দি, গাড়ীদহ, সুঘাট ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি খিরা চাষ হয়।

কুসুম্বি ইউনিনের বানিয়া গোন্দাইল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ মখমলের মত বিছিয়ে রয়েছে খিরার গাছ সেই গাছগুলো পরিচর্যায় ব্যস্তকৃষক প্রশান্ত কুমার বল্টু। আর খিরার ডগায় ডগায় রয়েছে সবুজ কচকচে খিরা। তিনি জানান, আড়াই বিঘা জমিতে খিরা চাষ করছে। জমির পাশ থেকে খিরা ২০ টাকা কেজি দরে কিনে নিচ্ছেন পাইকাররা। তবে খুচরা বাজারে খিরা ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খিরার ভালো ফলনের আশায় প্রশান্ত বলেন, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে অন্তত প্রায় দেড় ১ লাখ টাকার খিরা বিক্রি করতে পারব। খরচ বাদ দিয়ে মুনাফা হবে ৮০ হাজার টাকা।’ এবার কোন রোগ দেখা দেয়নি। এখন পর্যন্ত ভালো আছে। সবসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতা ও যথাসময়ে সঠিক পরামর্শ নিয়েই এই সপ্ন দেখছেন কৃষক প্রশান্ত কুমার।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শারমিন খাতুন বলেন, কৃষকের যে কোনো সমস্যায় কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে সেবা দিয়ে আসেন। আমি নিজেও মাঠে পড়ে থাকি। কৃষকদের সমস্যার কথা শুনি। এবার খিরা চাষে চাষিরা কম ঝুকছে। গত বছর আলুর ভালো দাম পাওয়ায় এবার তারা আলু চাষ করছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.