দুই বছরের জেল হতে পারে সু চির

গত সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের নির্বাচিত বেসামরিক নেতা অং সান সু চির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছে দেশটির পুলিশ। তার মধ্যে একটি মামলা হয়েছে অবৈধভাবে আমদানি করা ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগে। এই মামলায় তার দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তার।
সংবাদ মাধ্যম দি গার্ডিয়ানের বরাতে জনা যায়, অবৈধভাবে আমদানি করা ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগের মামলায় সু চির সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সুচিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। আমদানি ও রফতানি আইন লঙ্ঘন এবং যোগাযোগে অবৈধ ডিভাইস ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পুলিশ।

নভেম্বরের ওই নির্বাচনে সেনাসমর্থিত দলের ভরাডুবি হয়। অন্যদিকে, বিপুল জয় পায় সু চির এনএলডি। সু চির পাশাপাশি তার সরকারের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উই মিন্তের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। মহামারি (করোনা) বিধি ভঙ্গ করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সু চিসহ মিয়ানমারের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার-আটকের ঘটনায় গতকাল দেশটির ৩০টি শহরের ৭০টি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা ধর্মঘট শুরু করেছেন। নাগরিক অসহযোগ আন্দোলনের ব্যানারে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এনএলডির অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতা ও আইনপ্রণেতাদেরও আটক করে সেনাবাহিনী। দুজন আইনপ্রণেতা জানান, রাজধানী একটি সরকারি হাউজিং কমপ্লেক্সে উন্মুক্ত বন্দীশালায় অন্তত ৪০০ আইনপ্রণেতাকে আটকে রাখা হয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.