1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাস্তার পাশে রক্তাক্ত বৃদ্ধা , হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু  বাগেরহাটে টিকটক করা নিয়ে দ্বন্ধে স্ত্রীকে হত্যা কাল থেকে ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দায় স্বীকারের পরও মুক্তি রাবিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৪১ জনের যোগদান স্থগিত দেশের শক্তিশালী ঝড়ের আভাস কাবুলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫ শেরপুরে ইফতার করে নামাজ পড়ার সময় বৃদ্ধার মৃত্যু মাদারীপুরে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে মাইজবাড়ী ইউনিয়নে হতদরিদ্রের মাঝে অর্থ বিতরণ শিবগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা দোয়া মাহফিল বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের রোশানল থেকে বাঁচতে এমপির হস্তক্ষেপ কামনা প্রকল্পের ভেতরে লেপ-তোশকে মোড়ানো নারীর মরদেহ রিকশা চালকের থেকে ৬০০ টাকা নেওয়ায় তিন পুলিশ বরখাস্ত সাকিব করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ, রিপোর্টের অপেক্ষায় মুস্তাফিজ খালেদার বিদেশে চিকিৎসা: আইনমন্ত্রণালয়ের মতামত আজ করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স কাজিপুরে করোনাকালে অসহায়দের পাশে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজাপুরে ১৮ দীর্ঘ মাস পরে হত্যার মামলা রেকর্ড লালপুরে ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা পেল অসহায় কাবিল উদ্দিন

ধুনটে শত বছরের উৎসবমুখর মাছ মেলা

  • সর্বশেষ সংস্করণ : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ০ বার দেখা হয়েছে

ধুনট প্রতিনিধি : 
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মাছ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় ভাবে মেলাটি বকচর মেলা হিসেবে পরিচিত। বুধবার উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের হেউটনগর গ্রামের কোদলাপাড়ায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের মেলায় প্রায় অর্ধলাখ মানুষের সমাগম ছিলো। স্থানীয়রা জানান, হেউটনগর গ্রামে বাঙালি নদীর পূর্ব তীরে একশ বছর আগে থেকে একটি গ্রামীণ মেলা হয়ে আসছে। মেলার স্থানটিতে এক সময় জলাবদ্ধতা ছিলো। সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে বক মাছ শিকার করতো। সেকারনে স্থানটি বক চর হিসেবে পরিচিত। একারনে স্থানীয় লোকজন মেলাটিকে বকচর মেলা হিসেবে নামকরণ করেছে। বর্তমানে বকচর মেলা ধুনট উপজেলার ঐতিহাসিক ও সমৃদ্ধ একটি গ্রামীণ মেলা।

Alal Group

বকচর মেলার মূল আকর্ষণ মাছ ও মিষ্টি। যার কারনে স্থানীয় লোকজন মাছের মেলা বা মাছ-মিষ্টির মেলা হিসেবেও এ মেলাকে অবিহিত করে। প্রতি বছর মাঘ মাসের তৃতীয় বুধবার এ মেলা বসে। ১ দিনের মেলা হলেও মেলার কার্যক্রম মুলত তিনদিন হয়ে থাকে। স্থানীয় লোকজনের কাছে মেলা উৎসব সৃষ্টি করে। বকচর মেলা ঘিরে আশপাশের গ্রামগুলোতে আত্মীয়-স্বজনদের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে জামাইরা মেলা উপলক্ষ্যে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ মেলা থেকে শ্বশুর বাড়ির জন্য জামাইদের বড় আকারের মাছ বা প্রচুর মিষ্টি কেনার প্রচলন রয়েছে। আবার জামাইদের জন্য শ্বশুরগণ বড় মাছ ও প্রচুর পরিমাণ মিষ্টি কেনে। এজন্য মেলার দিনকে ‘জামাই মেলা’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। মেলার পরের দিন সকাল বেলা শুধুমাত্র নারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যে কারনে মেলার দ্বিতীয় দিনকে ‘বউ মেলা’ হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়।

এবারের মেলায় বাঘাইর, রুই, কাতল, চিতল, আইড়, ব্রিগেডসহ হরেক রকমের বড় বড় মাছ কেনাবেচা হয়েছে। তবে মেলায় আকর্ষণ সৃষ্টি করে ৩৪ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। মাছটির প্রতিকেজির মূল্য ছিলো ১হাজার ৩শত টাকা। অন্যদিকে মেলায় অন্তত ২০ রকমের মিষ্টি কেনাবেচা হয়েছে। এছাড়াও মেলায় ছিলো শিশুতোষ খেলনার দোকান, কসমেটিকস সামগ্রীর দোকান, নাগর দোলাসহ শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলার আয়োজন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমানে মৌসুমী ফল, মশলা, গরু, খাসি ও মুরগীর গোশত বিক্রি হয়েছে। ধুনট বাজারের মাছ ব্যবসায়ি আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রায় দুই যুগ যাবত এ মেলায় মাছ নিয়ে আসি। এবার ৩৪ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ এনেছি। প্রতি কেজি ১৩০০টাকা দরে মাছটির মূল্য চাওয়া হচ্ছে ৪৪হাজার ২০০শত টাকা।
মেলায় আগত আশরাফুল আলম বলেন, আমি পার্শ্ববর্তি গ্রামের বাসিন্দা। প্রতি শৈশব থেকেই  প্রতিবছর বাবার সঙ্গে মেলায় আসতাম। এখন নিজেই আসি। মেলায় ঘুরি। বিভিন্ন কিছু কেনাকাটা করি।

হেউটনগর গ্রামের আব্দুল আলীম বলেন, বকচর মেলা শতবছরের একটি ঐতিহাসিক মেলা। প্রতিবছর নির্ধাতির দিনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। যার কারনে নির্ধারিত সময়ে মেলা ঘিরে কয়েক গ্রামের মানুষের মধ্যে উৎসবের দোলা লাগে। বাড়ি বাড়ি স্বজনদের ভিড় জমে। সবাই মেলায় আসেন, কেনাকাটা করেন। বগুড়ার গন্ডগ্রামের মাসুদ রানা। মেলা উপলক্ষ্যে এসেছেন শ্বশুর বাড়ি। মেলায় এসে তিনি ২০হাজার টাকা মূল্যের আইড় মাছ কিনেছেন। মাসুদ রানা বলেন, প্রতি বছর মেলা উপলক্ষ্যে শ্বশুর বাড়ি আসি। এলাকার রীতি অনুযায়ী মেলা থেকে শ্বশুর বাড়ির জন্য মাছ কিনে থাকি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com