দলের সিদ্ধান্ত কঠোর হওয়ায় কয়রায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে

১৭২

শাহজাহান সিরাজ,কয়রা প্রতিনিধি ঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়রা উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা অর্ধ শতাধীক। কিন্তু কেন্দ্রে দলের ব্রিদ্রোহীদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি থাকায় অনেকের মুখে নৌকা না পেলে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছে। এ দিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বিগত কয়েক মাস যাবত দলীয় প্রতিক নৌকা পেতে প্রতিটি ইউনিয়নে ৫ থেকে ৮ জন প্রার্থী প্রচার শুরু করলেও তা থেকে কমে দাড়িয়েছে ৩ থেকে ৪ জন। খবর নিয়ে জানা গেছে ১ নং আমাদী ইউনিয়নে দীর্ঘদিন নৌকা প্রতিকের আসায় দৌড়-ঝাপ শুরু করেিেছলেন ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্র থেকে বিদ্রোহীদের কঠোর হুশিয়ারি দেওয়ায় এদের অনেকেই নিশ্চুপ হয়ে গেছে। ২ নং বাগালী ইউনিয়নে দলের ৮ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও একই খবরে অনেকেই জেলা নেতাদের দোড়গড়ায় তদবীর শুরু করেছেন। ৩ নং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিগত নির্বাচনে বিদ্রোহী হওয়ায় সেখানে নতুন করে ৪ জন প্রার্থী নৌকার আসায় ঘুরছেন। ৪ নং মহারাজপুর ইউনিয়নে দলের অনেক হাইব্রিড নেতা কর্মীসহ ৪ জন দলীয় প্রার্থী হতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে পৌছে গেছেন বলে দলের একাধীক সূত্র জানিয়েছেন। অন্যদিকে ৫ নং কয়রা সদর ইউনিয়নে দলের হাইব্রিড ও বিদ্রোহী মিলে ৬ জন প্রার্থীর প্যানা দেখা গেলেও সম্প্রতি অনেকেই নৌকা না পেলে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছেন। ৬ নং উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের দাবি নিয়ে ৪ জন প্রার্থী অনেক আগে থেকে গণসংযোগ করে আসছে। তবে সবাই নৌকা প্রতিকের বাইরে বিদ্রোহী না হওয়ার ঘোষনায় একমত হয়েছেন। এছাড়া ৭ নং দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নে ৫ জন প্রার্থী দলীয় প্রতিক নৌকার আসায় উপজেলা ও জেলা নেতাদের পিছনে ঘুরছে এবং ৪ প্রার্থী দাবী তুলেছেন বিগত দিনে যারা বিদ্রোহী ছিলেন তারা যেন নৌকার আসায় না ঘোরেন। তবে দলের তৃর্ণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ উপজেলা নির্বাচনে যারা নৌকার বিরুদ্ধে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভায় দলের প্রতিক নৌকা ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশুভ মন্তব্য করেছিলেন, এবার দল যেন তাদের ক্ষমা না করে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.