কাউনিয়ায় নৌকা প্রতীক পেতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড় ঝাপ শুরু

১০৩

সারওয়ার আলম মুকুল,কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ কাউনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দলীয় নৌকা প্রতীক পেতে জোরে সোরে লবিং-গ্রুপিং শুরু করেছে।
নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ততই লবিং গ্রুপিং জোরদার করছেন। কাউনিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার প্রায় ২১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী দলীয় সমর্থন সহ ভোটারদের সমর্থন আদায়ের জন্য মাঠে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, ১নং সারাই ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম হিরু, সাধারন সম্পাদক আতিয়ার রহমান বাবুল, ২নং হারাগাছ ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ডাঃ মাহফুজার রহমান বসুনিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন আলী বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আলতাব হোসেন, মহিলানেত্রী সঙ্গিতা বেগম, ৩নং কুর্শা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ডাঃ মোহাম্মদ হোসেন সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদের, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মোঃ আবুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ জেলা সহসভাপতি আলহাজ্ব আঃ মজিদ, ৪নং শহীদবাগ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিম, ৫নং বালাপাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আনছার আলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ দিলদার আলী, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম দুলাল, যুবলীগ নেতা মোঃ ইউসুব আলী, ৬নং টেপামধুপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ মোতাহারুল ইসলাম মুকুল, সম্ভাব্য ইপি চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামীলীগ সমর্থিত অনেক প্রার্থীই বলেছেন, নৌকা প্রতীকের টিকেট পেলেই নির্বাচনে প্রার্থী হবেন অন্যথায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন না এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন না।

আবার বেশ কিছু আওয়ামী লীগ সমর্থক সম্ভাব্য প্রার্থী বলেছেন, দলীয় প্রতীক না পেলেও জনসমর্থন থাকায় তারা নির্বাচন করবেন। ভোটারদের চাহিদার কারণেই নির্বাচন করতে হবে। কাউনিয়ায় উপজেলায় দলীয় কোন্দোল না থাকলেও ভিতরে ভিতরে ২টি গ্রুপিং আছে। বিগত বছর গুলোতে নেতা কর্মীদের পাওয়া না পাওয়ার বেদনা কাজ করছে, যা নির্বাচনে বিস্ফোরন ঘটবে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। অপরদিকে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা বলছেন, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের সমর্থন আদায়ের জন্য প্রতি রাতে পাড়া মহল্লায় উঠান বৈঠক শুরু করেছেন। দলীয় প্রতীকের টিকেট পাওয়ার আশায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ওয়ার্ড পর্যায়ের দলের নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা এমন কি কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে নিয়মিত জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ সকলেই প্রায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি এমপির আর্শিবাদ পেতে জোরাল লবিং-গ্রুপিং করছে বলে জানাগেছে। উপজেলা আওয়ামীলীগ দপ্তর সম্পাদক রায়হান আলী জানান, দলের মধ্যে যতই গ্রুপিং থাকুক নৌকা প্রতীক যে পাবে নেতা কর্মীরা শেষ পর্যন্ত তার হয়েই কাজ করবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.