শেরপুরে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

৭১

॥ ষ্টাফ রিপোর্টার ॥   শেরপুরে গ্রাম পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে গাড়ীদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দবির উদ্দীনের বিরুদ্ধে।  লাখ টাকা আত্মসাত করেন বলে রবিবার দুপুরে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।  অভিযোগে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের চন্ডিজান গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে কিছু টাকার বিনিময়ে পরিষদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদের আয়া পদে টাকা নিয়ে ভুয়া নিয়োগ পত্র প্রদান করেন। এরপর তাকে গ্রাম পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেন ওই চেয়ারম্যান ভুক্তভোগী মরিয়ম বেগম অভিযোগ করে বলেন, বিগত ২০১৯ সালের জুনে প্রথমে আয়া পদে ভুয়া নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে গাড়ীদহ ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন চেয়ারম্যান দবির উদ্দীন। এজন্য তিনি নিজে দেড় লাখ টাকা নেন। এরপর দীর্ঘসময় পার হলেও তাকে চাকরি না দিয়ে শুধু তালবাহানা করা হচ্ছে।  টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বলে জানান তিনি
বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযুক্ত উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দবির উদ্দীন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাকরি দেওয়ার কথা বলে তিনি কোনো টাকা নেননি। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরেই ওই মহিলা এসব অভিযোগ করে আসছেন। কিন্তু কোনো প্রমাণ করতে পারেননি।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দাবি করেন তিনি।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.