1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. krKhayer29@gmail.com : khayer :
  5. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  6. wadut88@gmail.com : wadut :
হতাশা থেকে দূরে থাকতে কার্যকর ৫ আমল - বিজয় বাংলা
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় স্বর্ণের ১৬ বারসহ পাচারকারী আটক আইজিপির সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন বিএনপি নেতারা বিএনপি নেতা মজিদকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শেরপুর বিএনপি নেতৃবৃন্দ ৩০কেজি গাঁজা ও ঈগল পরিবহনের সুপারভাইজারসহ আটক ৩ ধুমপান প্রতিরোধে করনীয় মধুখালীতে শীর্ষক কর্মশালা আওয়ামীলীগ কেন জানি বিএনপি-জাতীয় পার্টির মত হয়ে যাচ্ছে: হুইপ স্বপন জমি বিরোধের জের- বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে স্কাউটস ভিত্তি স্থাপন ও শীতকালী ক্রীড়া প্রতিযোগীর শুভ উদ্বোধন নোয়াখালীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমান আদালতে জাটকা মাছ জব্দ, বিক্রেতার জরিমানা ধুনটে ১০১ পিছ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ধুনটে মোবাইলে আসক্ত স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার শেরপুরে বিএনপি নেতা আটক কাজিপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও পতাকা প্রদান অনুষ্ঠিত স্বস্তির জয় নিয়ে শেষ ষোলতে আর্জেন্টিনা পাবনায় ছেলের সঙ্গে এসএসসি পাস করলেন স্ত্রী মধুখালীতে কুমড়ার বাম্পার ফলন ফুলবাড়ী পৌরসভার সভাকক্ষে শহর সমন্বয় কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নিজে উদ্যোগী ও সচেতন হতে হবে : ডেপুটি স্পিকার নোয়াখালীতে গরু চুরির আতঙ্কে র্নিঘুম রাত, পাহারায় গৃহস্থ ও খামারিরা

হতাশা থেকে দূরে থাকতে কার্যকর ৫ আমল

  • সর্বশেষ সংস্করণ : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

।।বিজয় বাংলা অনলাইন ডেস্ক।।
জীবনে হতাশা কিংবা মানসিক চাপ অনুভব করা নতুন কিছু নয়। বিপদ-আপদ, চাপ কিংবা না পাওয়ার বেদনা যত বেশিই হোক না কেন, কোনো অবস্থায়ই হতাশ হওয়া ঈমানদারের কাজ নয়। বরং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহর ওপর আস্থা রাখাই সুস্থ থাকার উপায় এবং বুদ্ধিমানের কাজ। হতাশা কিংবা মানসিক চাপ বেড়ে গেলে যেসব আমল করা জরুরি—
কুরআন তেলাওয়াত করা
হতাশা ও মানসিক চাপ কমাতে কুরআন তেলাওয়াতের বিকল্প নেই। মহান আল্লাহর মধুর বাণী কুরআন তেলাওয়াত মানুষের মনকে প্রফুল্ল করে। কেননা কুরআন তেলাওয়াত মানুষের অন্তরের প্রফুল্লতার অন্যতম উৎস। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমেই মানুষ মনের প্রফুল্লতা ও মানসিক প্রশান্তি পেয়ে থাকে। দুঃশ্চিন্তা ও হতাশা থেকে মুক্ত থাকে।
দোয়া ও জিকির করা
হতাশা কাটাতে এবং মনে প্রশান্তি পেতে বেশি বেশি আল্লাহর জিকির ও দোয়া করা। কেননা দোয়া এবং জিকিরের মাধ্যমে মনে প্রশান্তি আসে বলে ঘোষণা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা- ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; ‘জেনে রাখ! আল্লাহর জিকির দ্বারা অন্তরে স্থিরতা ও শান্তি আসে’ (সুরা রাদ: আয়াত ২৮)।
হজরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কোনো দুঃখ-কষ্ট বা চিন্তা, অস্থিরতা তথা হতাশাগ্রস্ত হতেন তখন বলতেন, ‘ইয়া-হাইয়ু ইয়া-ক্বাইয়ূ-মু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ।’ অর্থ- ‘হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।’ (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকেম, মিশকাত)।
আরও পড়তেন, ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জ্বলিমিন।’ অর্থ- ‘হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিঃসন্দেহে আমি অপরাধ করেছি’ (তিরমিজি)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) চিন্তা ও পেরেশানির সময় আরও একটি দোয়া বেশি বেশি পড়তেন বলে পাওয়া যায়। তা হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়া আউযু বিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউযু বিকা মিন দ্বালা’য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল’ (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)। অর্থ- হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে আপনার আশ্রয় চাই, অপারগতা ও অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাই, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে আপনার আশ্রয় চাই আর ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকেও আপনার আশ্রয় চাই।
নামাজে মনোযোগী হওয়া
বিপদ-মুসিবত, পেরেশানির সময় নামাজের মাধ্যমেই প্রকৃত প্রশান্তি লাভ কর যায়। কেননা নামাজের মাধ্যমেই বান্দা মহান আল্লাহর সাহায্য লাভ করে থাকেন। তাই মানসিক প্রশান্তি পেতে নামাজে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘তোমরা নামাজ ও ধৈর্যের মাধ্যমে আমার সাহায্য প্রার্থনা কর। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৪৫)।
হাদিসে এসেছে (রা.) যখন কোনো কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হতেন তখন নামাজ আদায় করতেন’ (আবু দাউদ)।
আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করা
মানসিক হতাশা ও অশান্তি থেকে মুক্ত থাকতে মহান আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুলের বিকল্প নেই। কেননা তিনিই বলেছেন- ‘যে মহান আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল বা ভরসা করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট’ (সুরা তালাক: আয়াত ৩)।
তাওবাহ-ইসতেগফার করা
তাওবাহ-ইসতেগফারে হতাশা ও মানসিক চাপ কমে। জীবিকার অভাব কমে। সন্তান-সন্তুতির অভাব কমে। গোনাহ মাফ হয়। এসব সমাধানের কথা বলেছেন মহান আল্লাহ তা’আলা- ‘তারপর বলেছি- তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দেবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন’ (সুরা নুহ: আয়াত ১০-১২)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত ইসতেগফার করবে, আল্লাহ তাআলা তার সব সংকট দূর করে দেবেন। সমাধানের পথ বের করে দেবেন। তার সব দুঃশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন’ (আবু দাউদ)।

Alal Group

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email