কারাগারে নারীসঙ্গ: জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

১৪

কারাবন্দী হল–মার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ কারাগারে নারীর সঙ্গে সময় কাটানোর ঘটনায় জড়িত থকায় কাশিমপুর কারাগার–১–এর জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নূর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এ ঘটনায় মোট ৫ জনকে প্রত্যাহার করলো কারা অধিদপ্তর। আগে প্রত্যাহার হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর ডেপুটি জেলার মো. গোলাম সাকলাইন, সার্জেন্ট ইন্সট্রাক্টর মো. আব্দুল বারী এবং সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. খলিলুর রহমান। রোববার (২৪ জানুয়ারি) কারা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য নিশ্চত হওয়া গেছে। গত ৬ জানুয়ারি সিসিটিভির ফুটেজে তুষার আহমদের নারীসঙ্গের চিত্র ধরা পড়ে। পরে এ ঘটনার তদন্তে গত ১২ জানুয়ারি তিন সদস্যের একটি কমিটি করে জেলা প্রশাসন। আর গত ২১ জানুয়ারি তিন সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করে কারা কর্তৃপক্ষ।

সিসিটিভি’র ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কারাগারের ভেতরে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা পরে ঘোরাফেরা করছেন তুষার আহমেদ। কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের জামা পরা এক নারী সেখানে আসেন। এ সময় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষের দিকে যান। সেখানে ওই নারীকে সাকলায়েন স্বাগত জানান।

ফুটেজে আরও দেখা গেছে, ওই নারী কক্ষে ঢোকার পর সাকলায়েন বেরিয়ে যান। আনুমানিক ১০ মিনিট পর তুষারকে সেখানে নিয়ে যান সাকলায়েন। এর প্রায় ১০ মিনিট পর রত্না তার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। দুই মিনিট পর রত্নার কক্ষের দিকে যান তুষার। এরও দুই মিনিট পর সেখান থেকে বেরিয়ে ওই নারীকে নিয়ে আবার রত্নার কক্ষে যান তুষার। যাওয়ার সময় তাদের হাসি-তামাশা করতে দেখা যায়। এর দুই মিনিট পর তুষার ও ওই নারী সাকলায়েনের কক্ষে ফেরেন। সেখান থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর তারা বের হন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.