বগুড়ার শেরপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের উদ্বোধন, গৃহহীনদের নিকট ঘর হস্তান্তর

২৬
আব্দুল ওয়াদুদ :  
আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার শেরপুরের উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সোয়া ১১টায় উপজেলার অডিটরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে উদ্বোধনেরপর  ভূমিহীন ও গৃহহীন ১০জনের নিকট জমির দলিল হস্তান্তর করেন বগুড়া জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো.আব্দুল মালেক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ, শেরপুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, বগুড়া বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এডভোকেট গোলাম ফারুক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো.শাহজামাল সিরাজী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তার,  উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব আম্বিয়া, শেরপুর শহর আ’লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাবরিনা শারমিন, শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামছুন্নাহার শিউলি, প্রকল্পে নিয়োজিত টাস্কফোর্সের কর্মকর্তাবৃন্দ, পি আই এস এর সকল সদস্য, উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা, ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকল্পের সুবিধা ভোগীরা ।
উল্লেখ্য, “মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না”- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য কর্মসূচির আওতায়  দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত ভূমিহীন প্রত্যেককে ২শতাংশ করে খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে একক গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সমগ্র দেশে নির্মাণ করা হচ্ছে ৬৬ হাজার ১৮৯টি দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি। এরমধ্যে রাজশাহী বিভাগে ৬হাজার ৭৭০ টি , বগুড়া জেলায় ১ হাজার ৪৫২টি এবং শেরপুর উপজেলায় ১৬৩টি গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রত্যেকটা ঘরের নির্মাণ কাজের ব্যয় নির্ধারণ করা আছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। ১৬৩টি ঘরের জন্য শেরপুর উপজেলায় সর্বমোট ব্যায় ২ কোটি ৭৮ লক্ষ্য ৭৩ হাজার টাকা। ২০ ফুট বাই ২২ ফুট প্রস্থের জমির উপর রয়েছে দুটি সেমি-পাকা কক্ষ, রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট, ইউটিলিটি স্পেস, সামনে খোলা বারান্দা। ঘর এবং আশেপাশের জায়গা দিয়ে একটি পরিবারকে সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত আলী সেখ জানান, জেলা প্রশাসকের সার্বিক দিকনির্দেশনায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীর নামে ২ শতাংশ সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক কবুলিয়ত দলিল রেজিস্ট্রেশন, নামজারি সম্পন্নকরণ ও গৃহ প্রদানের সনদ প্রদানসহ সকল কাজ সম্পন্ন। উদ্বোধণ শেষে দ্রুত তালিকা অনুযায়ী উপকারভোগীদের মাঝে জমিসহ নির্মানকৃত ঘর গুলো বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.