1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টির রহস্য (১) - বিজয় বাংলা
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস বগুড়ার অভিযানে চার ব্যবসায়ীর জরিমানা শেরপুরে দায়ের কোপে আহত মিজানুর রহমান শেরপুরে অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে, নিজেই লাশহয়ে ফিরলের বাড়ীতে নিখোঁজের দু’বছর পর এক তরুণের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে পোনা মাছ অবমুক্ত আদমদীঘিতে ইউএনও‘র বিদায়ী সংবর্ধনা আদমদীঘিতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-১ নবীনগরে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ শেরপুরে ভাদড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের উদ্বোধন শেরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎ সাহী সমাজকর্মী খোকন শেরপুরে নিখোঁজে ৩দিন হলেও সন্ধান মেলেনি উজ্জলের নারায়ণগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মইন খানের সমালোচনার জবাব দিলেন রিজওয়ান টাঙ্গাইলে জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর আটক সিরাজগঞ্জে ১৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ২ জন আটক মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সময়ের খবরের শোহান সিরাজগঞ্জে সোস্যাল ওয়ার্ক সেন্টারে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত বাগেরহাটে মামার ঘেরে মাছ চুরি, দেখে ফেলায় পাহারাদারকে হত্যা

জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টির রহস্য (১)

  • সর্বশেষ সংস্করণ : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২
  • ৪৬ বার দেখা হয়েছে

বস্তু, উদ্ভিদ আর প্রাণী নিয়ে এ মহাবিশ্ব। বস্তু আর প্রাণীর অস্তিত্বের শুরু ও বিনাশ নিয়ে মানুষের মধ্যে ঔৎসুক্যের শেষ নেই। প্রত্যেক প্রাণী বস্তুরই অংশ। পার্থক্য হলো প্রাণীরা খায়-দায়-বৃদ্ধি পায় তারপর নির্দিষ্ট সময় পরে রূপান্তর হয়। বস্তুর ভরকে কাজে লাগিয়ে শক্তি অর্জন করে রূপান্তর ঘটায়। প্রকৃতপক্ষে, শক্তির মতোই বস্তু বা প্রাণী কারোরই বিনাশ নেই, তবে রূপান্তর আছে। আবার, বস্তু বা প্রাণের কোনো অস্তিত্বই থাকে না এদের সংযুক্ত করে রাখার জন্য মৌলিক বল ছাড়া। বস্তু বা প্রাণীর অস্তিত্ব এবং এর টিকিয়ে রাখার স্থায়ী নিয়ম সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত। লক্ষণীয় যে, বস্তু সৃষ্টির সূচনাতেই যে নিয়মটি শুরু থেকে চলমান সেটি হলো জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি। সৃষ্টির দুটি দিক, একটি হলো গঠনগত, অন্যটি কার্যগত। গঠনগত দিক বলতে কেবল যে হার্ডওয়্যার উপাদান দিয়ে বস্তু সৃষ্টি করা হয়েছে আর কার্যগত দিক বলতে বস্তুকে ফাংকশনাল রাখতে যে সফটওয়্যার সিস্টেম বস্তুর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বোঝাচ্ছে। বস্তু সৃষ্টির একেবারে সূচনাতে গঠনগত জোড়া মিল হয়ে যাওয়ার পর অন্য সব ক্ষেত্রেই গঠনগত ও ফাংকশনাল জোড়া মিল হতে হবে এটা জরুরি নয়। যেমন মানুষের একটার পরিবর্তে দু’টি মাথা থাকলে কোনো কাজ করতে পারত না। সৃষ্টিকর্তা একটি মাথার ভেতরেই দু’টি হেমিস্ফেয়ার ফিট করেই বরং সৃষ্টির সার্থকতা দেখিয়েছেন। কুরআনে বর্ণিত সব বস্তুর সৃষ্টির গঠনগত জোড়া তত্ত্বের শতভাগ মিলে গেছে ম্যাটার-এন্টিম্যাটার আবিষ্কারের মাধ্যমে।
জোড়া তত্ত্বের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যার আবিষ্কারক ড. পল ডিরাক :

Alal Group

জগতখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) ১৯০৫ সালে ‘স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি’ এবং তার ঠিক ১০ বছর পর ‘জেনারেল থেওরি অব রিলেটিভিটি’ প্রকাশ করে সারা দুনিয়ায় হইচই ফেলে দেন। ঠিক এই সময়ে একদল পদার্থবিদ ইলেকট্রন, আলোর কণা এবং কোয়ান্টাম থিওরির ওপর কাজ করতে থাকেন। তাদের মধ্যকার একজন তরুণ ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পল ডিরাক (১৯০২-১৯৮৪) ১৯২৮ সালে প্রতিটি ‘বস্তুর’ বিপরীতে ‘প্রতিবস্তু’র আবিষ্কার করে ফেলেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৩৩ সালে মাত্র ৩১ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ পান। পল ডিরাক মূলত কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাথে আপেক্ষিকতার সমন্বয় করতে গিয়ে প্রতিবস্তু বা এন্টিম্যাটারের অস্তিত্বের সন্ধান পেয়ে যান। বস্তু নিয়ে তার প্রেডিকশন ছিল, প্রতিটি বস্তুরই একটি আয়না প্রতিবিম্ব রয়েছে। যেমন প্রতিটি বস্তুর পরমাণুতে রয়েছে চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান নেগেটিভ ইলেকট্র্রন এবং কেন্দ্রে পজিটিভ প্রোটন ও চার্জ নিরপেক্ষ নিউট্রন। পল ডিরাকের ভাষায়- এই বৈশিষ্ট্যের ঠিক উল্টো বৈশিষ্ট্য বহন করে তারই প্রতিবস্তু যাদের রয়েছে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী ইলেকট্রন আর ঋণাত্মক বিদ্যুৎবাহী প্রোটন। বিষয়টি তার ভাষাতেই বর্ণিত রয়েছে এভাবে- ‘প্রতিটি মৌলিক কণারই বিপরীত বিদ্যুৎবাহী প্রতিকণা বিদ্যমান রয়েছে আর জোড়ায় জোড়ায় বা যুগলের সৃষ্টি বা ধ্বংস শূন্যে সব সময় সব স্থানে ঘটে থাকে।’ প্রকৃতিতে মৌলিক বস্তুকণা- মৌলিক বস্তু প্রতিকণার নিয়ম মেনে চলার একটি বৈজ্ঞানিক ফর্মুলাও পল ডিরাক দিয়ে গেছেন। এই আবিষ্কারের পর, পল ডিরাক ১৯৭১ সালে একটি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব ন্যায়সঙ্গত, কারণ এ ছাড়া জীবনের সূচনা অসম্ভব।’
বস্তুর মধ্যেকার জোড়া তত্ত্বের আবিষ্কারক ড. পল ডিরাকের আবিষ্কার বিজ্ঞানের ভাষায় নামকরণ করা হয়েছে- ‘প্যারিটি’ হিসেবে।
পদার্থবিজ্ঞানে ক্ষুদ্রতম মৌলিক বস্তুকণাকে ম্যাটার এবং এর ঠিক বিপরীত চার্জযুক্ত সমান ওজনের বস্তুকণাকে এন্টিম্যাটার বলে।
ড. পল ডিরাকের ভাষায়, ম্যাটার-এন্টিম্যাটারের ক্রিয়া সংঘটনের মধ্য দিয়েই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। তাই বলে এই ক্রিয়া এলোমেলোভাবে যখন যেমন খুশি তেমনভাবে হয়নি। একটি সুনিয়ন্ত্রিত পরিকল্পনার আওতায় এই বিক্রিয়া সংঘটিত হয়েছে।
কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল তত্ত্বের বিকাশের সূত্র ধরেই পল ডিরাক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, একটি চার্জযুক্ত কণার অস্তিত্ব থাকলে তার বিপরীত চার্জযুক্ত প্রতিকণার অস্তিত্বও থাকা উচিত। কিন্তু এটা ছিল কেবলই তার একটা হাইপোথিসিস যা তিনি গবেষণাগারে প্রমাণ করে দেখাতে পারেননি। অবশ্য তার ঠিক সমসাময়িক কালের আরেকজন পদার্থবিদ কার্ল অ্যান্ডারসন (১৯০৫-১৯৯১) একটি ক্লাউড চেম্বারে মহাজাগতিক রশ্মি কণার ট্র্যাকগুলো অধ্যয়ন করে ১৯৩২ সালে একটি ইলেকট্রনের সমান ভরসহ একটি পজিটিভ চার্জযুক্ত কণা আবিষ্কার করে ফেলেন। কার্ল অ্যান্ডারসনের কণা ছিল বিশ্ব ইতিহাসে পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত প্রথম প্রতিকণা এবং এটিকে ‘পজিট্রন’ নামকরণ করা হয়েছিল। এই মহতী আবিষ্কারের বদৌলতে তিনিও ১৯৩৬ সালে নোবেল প্রাইজ পান।
তরঙ্গ-কণার দ্বৈততা তত্ত্বের আবিষ্কারক বিজ্ঞানী ড. লুইস ডি ব্রজলি :
অসাধারণ এক আবিষ্কার হলো ‘তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা থিওরি’। এতে বলা হয়েছে, প্রকৃতিতে বস্তু এবং আলো পরস্পর জোড়া চরিত্রই প্রদর্শন করে। বস্তু তরঙ্গ ও কণা রূপেও জোড়া চরিত্র প্রদর্শন করতে পারে। আবার আলোও তরঙ্গ ও কণারূপে জোড়া চরিত্র প্রদর্শন করতে পারে। ১৯২৪ সালে ফ্রান্সের পদার্থবিজ্ঞানী প্রিন্স লুইস ডি ব্রজলি বস্তুর প্রকৃতি সম্পর্কে বলেছেন, ‘প্রকৃতি প্রতিসাম্যতা ভালোবাসে। আলো প্রকৃতিতে দ্বৈতবাদী, কোনো কোনো সময়ে সে তরঙ্গের মতো আচরণ করে এবং অন্য সময় কণার মতো আচরণ করে। যদি প্রকৃতি প্রতিসাম্য হয়ে থাকে, তাহলে এই দ্বৈত আচরণ বস্তুও করে। অর্থাৎ আলোর মতোই প্রতিটি বস্তু তরঙ্গ ও কণারূপে জোড়ায় জোড়ায় আছে। ১৯২৭ সালে তার তত্ত্ব ল্যাবরেটরিতে প্রমাণ করে দেখানো হয়। ১৯২৯ সালে লুইস ডি ব্রজলি ওই আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

Alal Group

মৌলিক কণা কি?
এক সময় মনে করা হতো পরমাণুই হলো মৌলিক কণা। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল, পরমাণুকে ভেঙে ইলেকট্র্রন, প্রোটন ও নিউট্রন পাওয়া যাচ্ছে। একটা সময় পর্যন্ত বস্তুর এটাকেও চূড়ান্ত বিভাজন মনে করা হতো। তারপর কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কল্যাণে নিউট্রন ও প্রোটনকেও ভাঙার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। সুতরাং ইলেকট্র্রন একটি মৌলিক কণা হলেও নিউট্রন, মেসন কিংবা প্রোটন মৌলিক কণা নয়, কারণ এগুলোকে ভাঙা যায়। এই মহাবিশ্ব দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত। বস্তুর ক্ষুদ্রতম একক যার অভ্যন্তরীণ অন্য কোনো গঠনই নেই, তা-ই মৌলিক কণা। অন্য কথায়, মৌলিক কণা বা ফান্ডামেন্টাল পার্টিক্যাল হলো সেই সমস্ত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সাব-এটমিক কণা যাকে আর ভাঙা যায় না। এসব কণা এক অথবা শূন্য চার্জযুক্ত। ক্ষুদ্রতম মৌলিক বস্তুকণাকেই মহাবিশ্বের গাঠনিক একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মহাবিশ্ব গঠনে মৌলিক কণা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে মাত্র দু’টি গ্রুপের মৌলিক কণা : ফার্মিয়ন ও বোসন। ফার্মিয়ন হলো মৌলিক বস্তুকণা যারা ফার্মি-ডিরাক পরিসংখ্যান মেনে চলে। সমস্ত ফার্মিয়নই পৌলি এক্সক্লুশন নীতি মেনে চলে। ইতালীয় বিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির নামানুসারে এই কণার নামকরণ করা হয়েছে। আর বোসন হলো মৌলিক বলকণা যারা মৌলিক বস্তুকণার মধ্যে বল আদান-প্রদান করে এবং সর্বদা বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান মেনে চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সত্যেন বোসের নামানুসারে ‘বোসন’ কণার নামকরণ করা হয়েছে। বস্তুর অস্তিত্ব শক্তি অর্জনের মধ্যেই লুকায়িত। আর বস্তু থেকে কখনোই শক্তির ফায়দা কাজে লাগানো যাবে না নির্দিষ্ট নিয়মে বস্তুর ওপর মৌলিক বলকণার প্রয়োগ ছাড়া। সুতরাং সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে মৌলিক বস্তুকণা ‘ফার্মিয়ন’ যেন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার আর মৌলিক বলকণা ‘বোসন’ যেন সফটওয়্যারের ভূমিকায় থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টির অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এভাবেই মহাবিশ্ব সজ্জিত হয়েছে অসংখ্য ন্যাচারাল কম্পিউটার দিয়ে। ‘ফার্মিয়ন’ ও ‘বোসন’-এর একটি ছাড়া অন্যটি অচল, যেমন চলমান ফিজিওলজিক সিস্টেম ছাড়া মানুষের জীবন অচল।

মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রথম মৌলিক বস্তুকণাই জোড়ায় জোড়ায় (ম্যাটার-এন্টিম্যাটার) : মহাবিশ্বের প্রথম মৌলিক বস্তু ও বলকণা যথাক্রমে- ফার্মিয়ন ও বোসন। ফার্মিয়নের তিনটি জেনারেশন। প্রথম জেনারেশনে কোয়ার্ক ও লেপ্টন- এই দুই প্রকার। কোয়ার্ক (আপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্ক) এবং লেপ্টন (ইলেকট্র্রন ও নিউট্রিনো) হলো মৌলিক বস্তুকণা যাদের ওজন, চার্জ ও রঙ আছে। এই সমস্ত কণা হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি মেনে চলে।
কোয়ার্ক : ‘কোয়ার্ক’ আসে মূলত পরমাণুর কেন্দ্রে থাকা প্রোটন, নিউট্রন, পাইয়ন এবং মেসন থেকে। এই সব কণা যারা স্ট্রং ও উইক নিউক্লিয়ার ফোর্স এবং ইলেট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স- এই তিন ধরনের প্রক্রিয়াতে অংশগ্রহণ করতে পারে তাদেরকে হ্যাড্রন বলে। ১৯৬১ সালে জোতির্বিদ মারে গেলম্যান এবং যুভাল নেম্যান এ ক্ষুদ্র কণাগুলোর নাম দেন ‘কোয়ার্ক’। এই ‘কোয়ার্ক’ মডেলের জন্য ১৯৬৯ সালে গেলম্যান নোবেল পুরস্কার পান। প্রত্যেক প্রোটন কণা দু’টি আপ কোয়ার্ক (+২/৩) এবং একটি ডাউন কোয়ার্কের (-১/৩) সমন্বয়ে তৈরি হয় বলে প্রোটনের চার্জ +১। নিউট্রনও দু’টি ডাউন কোয়ার্ক (-১/৩) এবং একটি আপ কোয়ার্ক (+২/৩) সমন্বয়ে তৈরি হয় বলে এর চার্জ জিরো।
লেপ্টন : লেপ্টন হলো সবচেয়ে হালকা মৌলিক বস্তুকণা। লেপ্টনের প্রথম জেনারেশনের বস্তুকণার একটি হলো ‘ইলেকট্রন’ যার চার্জ-১ এবং সবচেয়ে হালকা, অন্যটি হলো ‘নিউট্রিনো’ যার আছে জিরো চার্জ। ‘নিউট্রিনো’ হলো প্রকৃতিতে এ পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে ছোট পার্টিক্যাল মহাবিশ্বের সূচনা পর্বের প্রথম কণা। এই সব কণা বিদ্যুৎ চুম্বকীয় এবং দুর্বল নিউক্লিয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে কিন্তু কখনো শক্তিশালী নিউক্লিয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। এদের স্পিন ১/২ কিন্তু জীবনকাল অসীম। উপরোক্ত প্রত্যেকটি মৌলিক বস্তুকণার বিপরীতে আছে এর এন্টিপার্টিক্যাল। যেমন আপ এন্টিকোয়ার্ক, ডাউন এন্টিকোয়ার্ক, ইলেকট্র্রনের বিপরীতে পজিট্রন ও নিউট্রিনোর বিপরীতে এন্টিনিউট্রিনো।
তবে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ১২টি ভিন্ন ফার্মিয়নকে আলাদা করা গেছে। তিনটি জেনারেশনের ছয়টি কোয়ার্ক (আপ-ডাউন, স্ট্রেঞ্জ-চার্ম, বটম-টপ) এবং ছয়টি লেপটন (ইলেকট্র্রন-ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন-মিউওন নিউট্রিনো, টাওন-টাওন নিউট্রিনো) আছে। এই ১২টি চার্জযুক্ত ফার্মিয়নের প্রত্যেকটির বিপরীতে এন্টিচার্জযুক্ত মৌলিক বস্তু প্রতিকণাও রয়েছে।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব হিস্টোপ্যাথলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি
towhid.drhossain@gmail.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email