1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
নামজারি আবেদনে বাড়তি দলিল দিতে হবে না - বিজয় বাংলা
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস বগুড়ার অভিযানে চার ব্যবসায়ীর জরিমানা শেরপুরে দায়ের কোপে আহত মিজানুর রহমান শেরপুরে অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে, নিজেই লাশহয়ে ফিরলের বাড়ীতে নিখোঁজের দু’বছর পর এক তরুণের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে পোনা মাছ অবমুক্ত আদমদীঘিতে ইউএনও‘র বিদায়ী সংবর্ধনা আদমদীঘিতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-১ নবীনগরে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ শেরপুরে ভাদড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের উদ্বোধন শেরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎ সাহী সমাজকর্মী খোকন শেরপুরে নিখোঁজে ৩দিন হলেও সন্ধান মেলেনি উজ্জলের নারায়ণগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মইন খানের সমালোচনার জবাব দিলেন রিজওয়ান টাঙ্গাইলে জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর আটক সিরাজগঞ্জে ১৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ২ জন আটক মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সময়ের খবরের শোহান সিরাজগঞ্জে সোস্যাল ওয়ার্ক সেন্টারে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত বাগেরহাটে মামার ঘেরে মাছ চুরি, দেখে ফেলায় পাহারাদারকে হত্যা

নামজারি আবেদনে বাড়তি দলিল দিতে হবে না

  • সর্বশেষ সংস্করণ : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

।। বিজয় বাংলা অনলাইন ।।
জমির ই-নামজারির (নিবন্ধন ও নামজারি) জন্য শিগগিরই আধুনিক ফরম চালু করবে সরকার। এই ফরম চালু হলে জমির যেসব দলিল সরকারের কাছে আছে নামজারি আবেদনের সময় তার কপি আর জমা দিতে হবে না। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন দলিল মূলেও নামজারি করা হবে। এতে জমি হস্তান্তরে নতুন করে নামজারির প্রয়োজন হবে না। এসব উদ্যোগ পুরোদমে কার্যকর হলে জমির মালিকানা হস্তান্তরের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে। গতকাল ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়-ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে নতুন ফরম চালুর কার্যক্রম দ্রুত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে (Fast Track) স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসেই (জুন) নতুন ফরম চালু করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ৬৫ লাখ নামজারি আবেদনের মধ্যে ৫৭ লাখ আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। ‘ভূমি অফিসে না এসে ভূমি সেবা গ্রহণ করুন’ প্রতিপাদ্যে গত ১৯ মে ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২২-এর উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত (রেকর্ডেড) শুভেচ্ছা বার্তা প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সেবা সপ্তাহটি আজ (২৩ মে) পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- (জরিপ এবং ম্যাপ) ‘মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সব মৌজায় ডিজিটাল ও স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি করে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। গত ১২ মে মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশের ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২টি মৌজা ম্যাপ ডিজিটাইজ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিজিটাইজ ম্যাপের সঙ্গে ক্রয় করা স্যাটেলাইট ভূমির ছবি সমন্বয় করা হবে। এই প্রকল্প কার্যকর হলে কার্যকর ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরি হবে। এক ক্লিকেই দেখা যাবে জমির শ্রেণি কী এবং জমির মালিক কে। (ভূমি উন্নয়ন কর) ২.৫ কোটি হোল্ডিং ডিজিটাইজ করা হয়েছে, বাকিগুলোও খুব দ্রুত শেষ হবে। মানুষ এখন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে না গিয়েই ভূমি কর দিতে পারছেন। বর্তমানে এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে কিংবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়া- দুইভাবেই ভূমি কর জমা দেওয়া যাচ্ছে। এনআইডি নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সরাসরি ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মূল ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থায় জমির মালিকের প্রোফাইলে না ঢুকেই জমির মালিকের নিবন্ধিত ও হোল্ডিং এন্ট্রি সম্পন্ন করা জমির ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া যাবে। অর্থাৎ যে কোনো ব্যক্তি ভূমি উন্নয়ন কর অপরের পক্ষেও দিতে পারবেন। এই ব্যবস্থা অতি কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য সুবিধাজনক হবে। তবে সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য দাখিলা যেন কেবল জমির মূল মালিক গ্রহণ করতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে। ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে দাখিলা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনাধীন আছে।
এতে আরও বলা হয়- এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৮ লাখ সুবিধাভোগী অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য নিবন্ধন করেছেন। জমির ৩ কোটি জমির তথ্য ইতোমধ্যে ম্যানুয়াল থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক স্বচ্ছভাবে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেছেন। অন্তত ৫০ শতাংশ নাগরিকের হয়রানি কমেছে। প্রতিদিন ৩০-৪০ লাখ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে। (সার্বিক ব্যবস্থাপনা) আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সারা দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা স্বয়ংক্রিয় করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে, ‘ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প’। ভূমি মালিকানা প্রমাণের জন্য উপর্যুক্ত অনেক দলিলাদির বদলে একটি ‘ভূমি মালিকানা সনদ’ তথা ‘সার্টিফিকেট অব ল্যান্ড ওনারশিপ’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Alal Group

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email