নিরপেক্ষতার আবশ্যকতা

২২

প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকেন। তাই বলে কি তিনি নিরপেক্ষ নন? ভোটাধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকের প্রদত্ত আমানত। এ আমানতের সঠিক ব্যবহার নিরপেক্ষ ব্যক্তির মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারে।
ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির নিরপেক্ষতা ক্ষুণœ হলেও গোপন ব্যালটের মাধ্যমে প্রদত্ত ভোটে মতামত জানার অবকাশ না থাকায় যতক্ষণ পর্যন্ত না তার আচরণ কোনো ব্যক্তি বা দলের অনুকূলে বিবেচিত হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে নিরপেক্ষ বলা যায়।

রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নন এমন সব ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলের সদস্য ও প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকেন। ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনশীল। রাজনীতির সাথে সম্পৃক্তদের কাছে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে দলের সাফল্য ও প্রার্থীর যোগ্যতার চেয়ে দলীয় আনুগত্যই মুখ্য। এ ক্ষেত্রে দলের ব্যর্থতা ও প্রার্থীর অযোগ্যতা দলীয় আনুগত্যের কাছে মূল্যহীন। তাই প্রার্থী কলাগাছ মার্কা হলেও ভোট তাকেই দিতে হবে।
রাষ্ট্র ও সরকারের শীর্ষ পদে আসীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্য, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী, শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আদালতের বিচারকাজ পরিচালনায় নিয়োজিত বিচারকদের কাছে নিরপেক্ষতা প্রত্যাশিত। কিন্তু তারা সবাই কি প্রত্যাশিত নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পারছেন?

উচ্চ ও নিম্ন আদালতের বিচারক, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা পর্যায়ে নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা ও সততাকে মূল্যায়ন করা হলে নিরপেক্ষতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ক্ষীণ। কিন্তু এর ব্যত্যয়ে যে নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হবে সে বিষয়ে কারো সংশয় থাকার কথা নয়।
ফৌজদারি মামলার তদন্তকাজ নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হলে তদন্ত প্রতিবেদনে বিচারের জন্য সোপর্দকৃত আসামিদের খালাস পাওয়ার অবকাশ নেই বললেই চলে। কিন্তু সাজার হার বিবেচনায় নিলে অতি সহজে অনুমান করা যায়, তদন্তকাজ কতটুকু নিরপেক্ষ ছিল। তদন্তকাজ পরিচালনায় এখনো পুলিশের ভূমিকা মুখ্য। এ কথা এখন আর কারো অজানা নয় যে, জেলায় পুলিশের তত্ত্বাবধায়ক পদে এবং থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পদায়নের ক্ষেত্রে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট আসনের সংসদ সদস্যের আকাক্সক্ষা প্রাধান্য পেয়ে থাকে। তাই এ ধরনের কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক অভিলাষের বিরোধী অবস্থানের সুযোগ কতটুকু?
ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার পরিচালনার ক্ষেত্রে আদালত ভেদে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) ও অ্যাটর্নি জেনারেল এককভাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে দেখা যায় ওই পদগুলোতে আসীন সব ব্যক্তির পরিবর্তন ঘটছে। এতে একদিকে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বিনষ্ট হয়, অপরদিকে ওইসব ব্যক্তির নিয়োগে যে রাজনৈতিক ভাবধারা বিবেচনায় নেয়া হয়েছিল তা প্রতিফলনে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বহুলাংশে ক্ষুণ্ণ হয়।
বিচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবান্বিতদের ক্ষেত্রে যে পক্ষপাতদুষ্টতার প্রতিফলন ঘটে তা আজ আর অজানা নয়। বিচারকদের পক্ষপাতদুষ্টতার কারণে ব্যথিত হয়ে বরেণ্য আইনজীবী মরহুম রফিকুল হকের মন্তব্য, ‘আজকাল বিচারকরা মুখ দেখে বিচার করেন’। দেশের বহুল প্রচারিত পত্রিকাগুলোতে তার মন্তব্যটি প্রকাশিত হলে বিচারপ্রার্থী মানুষ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি বিষয়ে শঙ্কিত হয়ে ওঠেন। বিচারক নিয়োগে দলীয়করণ বিষয়ে ১৯৯৬-২০০১ এর আওয়ামী লীগ সরকারের সফল আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর মন্তব্য, ‘দলীয়করণ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই করেছে’। সাবেক মন্ত্রীর সরল এ উক্তি বলে দেয় দলীয় মতাদর্শের প্রভাব বিচার বিভাগের ওপর আজ কত প্রকট।

বিচার বিভাগ জনগণের শেষ ভরসাস্থল। যোগ্যতা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা ও সততাকে অবমূল্যায়িত করে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হলে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত কখনো সম্ভব নয়। বর্তমানে উচ্চ আদালতে কর্মরত সব বিচারক ১৯৯৬ পরবর্তী নিয়োগপ্রাপ্ত। তাদের বেশির ভাগের নিয়োগের ক্ষেত্রে যখন যে দল ক্ষমতায় ছিল সে দলের প্রতি আনুগত্য মুখ্য বিবেচিত ছিল। নিয়োগ পরবর্তী সরকার পরিবর্তিত হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আগের আনুগত্য অটুট থাকতে দেখা গেছে।
একজন রাজনীতিবিদ দলীয় নীতি ও আদর্শের প্রতি অনুগত থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তার সমগ্র নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। এ ক্ষেত্রে কারা তাকে ভোট দিয়েছেন এবং কারা দেননি সেটি বিবেচ্য নয়। একজন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও মন্ত্রী পুরো দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের কারো ক্ষেত্রে নিজ নির্বাচনী এলাকা বা নিজ জেলাকে অগ্রাধিকার দিলে তাদের সাংবিধানিক শপথ কতটুকু অটুট থাকে তা তারা নিজেরাই ভেবে দেখতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নিরপেক্ষতা না পাওয়ায় আজ সামরিক, বেসামরিক, জন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিচার বিভাগে রাজনৈতিক মর্তাদর্শীদের প্রাধান্য। যেকোনো পদে আসীন একজন ব্যক্তির নিরপেক্ষতা কী কারণে ক্ষুণ্ণ হয় সে প্রশ্নটি করা হলে যেসব বিষয় বাহ্যত সামনে চলে আসে তা হলো- ক. ঘুষ গ্রহণের কারণে ঘুষ প্রদানকারীর পক্ষাবলম্বন; খ. রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবান্বিত হওয়ার কারণে পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত প্রদান; গ. স্বীয় উদ্দেশ্য চরিতার্থে নিয়মনীতির ব্যত্যয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান; ঘ. সত্য ও ন্যায়ের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ; ঙ. যোগ্যদের অবমূল্যায়নে অযোগ্যদের মূল্যায়ন; চ. জ্যেষ্ঠদের অধিকার হরণে কনিষ্ঠদের স্বার্থ সংরক্ষণ; ছ. দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতিকে প্রশ্রয় প্রদান; জ. নিজ উদ্দেশ্য হাসিলে অসন্তোষভাবে কর্ম সম্পাদন; ঝ. পদমর্যাদার অপব্যবহারে অন্যায় সুবিধা গ্রহণ প্রভৃতি।
সাংবিধানিক পদধারীরা শপথ গ্রহণ ব্যতিরেকে পদে আসীন হন না। সাংবিধানিক পদধারীদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণ করাকালীন অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বলতে হয়- তিনি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করবেন এবং ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সবার প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করবেন। একজন সংসদ সদস্যকে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বলতে হয়, তিনি সংসদ সদস্যরূপে তার কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হতে দেবেন না। একজন প্রধান বিচারপতি ও বিচারককে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বলতে হয়- তিনি সংবিধান ও আইনের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করবেন এবং ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সবার প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করবেন। একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যকে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বলতে হয়- তিনি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করবেন এবং তার সরকারি কাজ ও সরকারি সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হতে দেবেন না।
সাংবিধানিক পদধারীদের উপরিউক্ত শপথ পাঠ অবলোকন করলে প্রতীয়মান হয়, কোনো সাংবিধানিক পদধারীর পক্ষে তার স্বীয় শপথের ব্যত্যয়ে নিরপেক্ষ অবস্থানের স্খলনে অপর কোনো অবস্থান গ্রহণ সম্ভব নয়। কিন্তু বাস্তবে এর প্রতিফলন কোথায়?
সাংবিধানিক পদধারীদের বাইরে সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের জন্য প্রতিপালনীয় আচরণবিধিমালা রয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারকদের জন্য সাংবিধানিক শপথের বাইরে আচরণবিধিমালা রয়েছে যা তাদের পদে বহাল থাকাকালীন মেনে চলতে হয়। এ ছাড়া দেশের সব সাধারণ নাগরিককে নীতি ও নৈতিকতা মেনে চলতে হয়। একজন ব্যক্তির অবস্থান যাই হোক না কেন, তিনি যদি নিজেকে নীতি ও নৈতিকতা দ্বারা আবদ্ধ মনে করেন, সে ক্ষেত্রে তার পক্ষে নিরপেক্ষতার ব্যত্যয়ে অন্যায় করার সুযোগ কতটুকু তা প্রণিধানযোগ্য।
একজন ব্যক্তি নিরপেক্ষতা হারালে তার পক্ষে স্বীয় সম্মান ধরে রাখা সম্ভব হয় না। একদা কোনো এক ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য পদাধিকার বলে স্বীয় নির্বাচনী এলাকার স্কুল-কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করাকালীন ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে নীতি ও নৈতিকতাকে পাশ কাটিয়ে একমাত্র যারা তার চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ দক্ষিণা দিয়েছেন তাদের নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতা বিচার না করে নিয়োগ দেয়ায় অচিরেই স্কুল ও কলেজের বোর্ড নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার ফলে বিরূপ প্রভাব পড়ে। সরকার পরিবর্তনের পর দেখা গেল, এ নিয়োগগুলো বাতিল করে পুনঃনিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এ নিয়োগের ক্ষেত্রেও দেখা গেল তথৈবচ অর্থাৎ আগের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এতে করে যারা দক্ষিণার বিনিময়ে চাকরি পেয়ে দক্ষিণা প্রদত্ত অর্থ উত্তোলনের আগেই চাকরি হারালেন তাদের বলতে শোনা গেছে- দরকার হলে প্রাইভেট টিউশনি করে জীবন ধারণ করব আর ধারকার্য করে দক্ষিণা দেয়ার পথে পা বাড়াব না।
আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলায় দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর দল অবতীর্ণ হলে এক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেফারিকে অর্থ দিয়ে বশীভূত করে প্রতিশ্রুতি আদায় করেন যে, তার দলের বিপক্ষে গোল করা হলে অফসাইডের ফাঁদে ফেলে সে গোল যেন নাকচ করে দেয়া হয় আর তার দলের পক্ষে গোল করা হলে অফসাইড যেন উপেক্ষা করা হয়। চেয়ারম্যান সাহেবের কথামতো রেফারি খেলা পরিচালনা করতে গেলে পক্ষপাতদুষ্টতার বিষয়টি দর্শকদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর ফলে দেখা গেল, খেলা শেষ হওয়ার আগেই উভয় দলের সমর্থকদের পরস্পরের প্রতি অশালীন বাক্য বিনিময় এবং হাতাহাতি ও মারামারিতে লিপ্ত হয়ে খেলা পণ্ড। হাতাহাতি ও মারামারির একপর্যায়ে উত্তম-মধ্যম থেকে রেফারিও নিষ্কৃতি পেলেন না। এ রেফারিকে পরে বলতে শোনা গেছে জীবনে শিক্ষা পেয়ে গেলাম পক্ষপাতদুষ্ট রেফারির দায়িত্ব আর না।

সম্প্রতি আমাদের দেশে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কমিশনবাণিজ্য এবং টেলিযোগাযোগ, সড়ক, সেতু, রেল, স্বাস্থ্য, গণপূর্ত, কৃষি প্রভৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত সংস্থার কেনাকাটা ও দরপত্রে যে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে গেল সে বিষয়ে সরকারের শীষ পর্যায় থেকে নিরপেক্ষভাবে বিষয়গুলোর সুরাহা করার প্রয়াস নেয়া হলে জনগণ প্রদত্ত করের টাকার অপচয় রোধ সম্ভব হতো।
যেকোনো পদধারী নিরপেক্ষতা হারালে তার পক্ষে ন্যায়নিষ্ঠ হওয়া কি সম্ভব? দেশ ও জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হলে পদধারীদের পদে বহাল থাকাকালীন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব সম্পাদনের আবশ্যকতা রয়েছে। এর ব্যত্যয়ে দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রা যে ব্যাহত হবে তা সংশ্লিষ্ট সবাই অনুধাবন করতে পারলে যেকোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি পরিহার সম্ভব।
লেখক : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.