‘স্বপ্নেও ভাবিনি পাকা বাড়িতে ঘুমাব’

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে মহা খুশি মিনি

আব্দুল ওয়াদুদ : সারাদিন পরিশ্রম করে যা আয় হয় তা দিয়ে কোনো রকম সংসার চলে। সন্তান-স্বামী নিয়ে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে কোনো রকম থাকি। দিনমজুরি করে যেখানে নুন আনতে পানতা ফুরায়, সেখানে পাকাঘর তৈরি করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মতো একজন গরিবের খবর নিয়ে ঘর তৈরি করে দিয়েছেন এটা আমার জীবনে সেরাপ্রাপ্তি। স্বপ্নেও ভাবিনি পাকা বাড়িতে ঘুমাব। এই ঘরে নামাজ পড়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করব। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেন বগুড়ার শেরপুরের বাগড়া কলোনী দিঘীরপার এলাকার নান্নুর স্ত্রী মিলি।

কুসুম্বি ইউনিয়নের সচিব নজরুল ইসলাম জানান, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ভূমিহীন “ক” শ্রেণির পরিবার পুনর্বাসনে ‘দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ’ সাড়া দিয়ে ১টি করে ঘর নির্মানের জন্য ১লক্ষ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কুসুম্বি ইউনিয়নে ২০টি ঘর করা হয়েছে। এখানে থাকছে, দুইটি ঘর, একটি চিকেন রুম, পাথরুম একটি পকেট রুম।

উপজেলা পি আইও অফিসার শামছুন্নাহার শিউলী বলেন, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে নির্মানাধীন ১৬৩টি ঘরের ৯৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলায় ৮নং সুঘাট এবং ১০নং শাহ বন্দেগী ইউনিয়নে নিষ্কন্ট খাস জমি না পাওয়ায় দুর্যোগ সহনীয় গৃহ নির্মাণ ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়নি। ২০ জানুয়ারী গৃহহীন পরিবারের সদস্যদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.