আদমদীঘিতে আ.লীগ নেতাসহ ১৪জনের বিরুদ্ধে ভাংচুর, লুটপাট ও হত্যার চেষ্টায় মামলা

৭৯

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে ঔষধের দোকান ও মোবাইল এজেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবী হামলা ভাংচুর ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্ঠা ঘটনায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতিসহ ১৪জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আদমদীঘির বশিকোড়া গ্রামের জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামী করা হয়েছে আদমদীঘির কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মাজেদুর রহমান, বিপ্লব হোসেন, আফজাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী, আব্দুল মতিন, একরাম হোসেন. মনসুর রহমানসহ ১৪জন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

মামলার সুত্রে জানাযায়, আদমদীঘির বশিকোড়া গ্রামের তিনমাথা নামক স্থানে ওই গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে যোবায়ের আলম ওরফে সাদ্দাম ঔষধের দোকান, মোবাইল ফোন ব্যাংিকং ও ফ্রেক্সিলোড ব্যবসা করে আসছিলেন। কিছুদিন আগে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে অপর আসামীরা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক যোবায়ের আলমের নিকট এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভটভটি ও সিএনজি যোগে ১৪/১৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তিনমাথা নামক স্থানে অবস্থিত যোবায়ের আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর লুট ও যোবায়ের আলম এবং তার বাবা মামলার বাদি জিল্লুর রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় হামলাকারিরা প্রতিষ্ঠানের ক্যাশবাক্স থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে আহত যোবায়ের আলমকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে সন্তান যোবায়ের আলম সাদ্দাম ও বাদি চিকিৎসা নেয়ার পর কিছুটা সুস্থ হওয়ায় বিলম্বে মামলাটি থানায় দায়ের করা হয় বলে বাদি জিল্লুর রহমান জানান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.