1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
‘পানি পানি বলে ছটফট করছিল সিনহা, পরে ওসি প্রদীপ এসে বুকে লাথি মারেন’ - বিজয় বাংলা
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আশাবাদী অপু বিশ্বাস ধুনটে আ:লীগ নেতাকে বহিস্কারের গুঞ্জন ।। কর্মীদের বিক্ষোভে পুলিশের বাঁধা আজ ১৬০ ইউপিতে ভোট, বিনা ভোটে জয়ী ৪৩ চেয়ারম্যান এবারো গোল পেলেননা মেসির ।। নেইমার ও মাউরো ইকার্দির গোলে পিএসজির রুদ্ধস্বাস জয় বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে ভূঞাপুরে দিনমজুর জলিলের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সুনামগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে চাঁদাবাজি ।। অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট কাজিপুরে নাটুয়ারপাড়ায় মাদক ও  সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল  মধুখালীতে করোনায় বন্ধ হলো ৫টি শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেরপুরে ঔষধ চোর আটক ফুলবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় কাস্টম ইন্সেপেক্টর নিহত মায়ের ওপর অভিমান করে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা নারিকেল দুধে চিকেন কারি বোচামের জালে বায়ার্নের সাত গোল কারিনার মতো দেখায় টাইগারকে, যা বললেন জ্যাকি স্থগিত ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আজ থেকে চার ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ টিসিবির ট্রাকে পেঁয়াজ মিলবে ৩০ টাকায় বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলি, আহত ৫

‘পানি পানি বলে ছটফট করছিল সিনহা, পরে ওসি প্রদীপ এসে বুকে লাথি মারেন’

  • সর্বশেষ সংস্করণ : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

ঘটনার সময় তারা কয়েকজন ঘটনাস্থলের আশপাশে ছিলেন। গুলি খেয়ে সিনহা মো. রাশেদ খান মাটিতে (রাস্তায়) লুটিয়ে পড়ে। তখন তিনি জীবিত ছিলেন। তিনি তখন পানি পানি বলে ছটফট করছিলেন। কিন্তু কেউ তাকে পানি দেয়নি। উল্টো টেকনাফের দিক থেকে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনাস্থলে এসে সিনহার বুকে লাথি মারেন। গামবোট দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরে সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করেন ওসি প্রদীপ।
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ৪ নম্বর সাক্ষী সিএনজি চালক কামাল হোসেন তার দেওয়া সাক্ষ্যে আদালতে এসব কথা বলেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার সাথে জড়িত একাধিক আইনজীবী।
সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের দ্বিতীয় দিনে একমাত্র তারই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরে তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। সকাল সোয়া ১০টায় এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

Alal Group

এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে পুলিশের প্রিজনভ্যানে করে মামলার ১৫ আসামিকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ফরিদুল আলম বলেন, সোমবার তিনজন সাক্ষী হাজির ছিলেন। কিন্তু একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরাতেই আদালতের সময় শেষ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন বিচার কাজের পাঁচদিনে মাত্র ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ করা সম্ভব হয়েছে। মঙ্গলবার পঞ্চম সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে। এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত বলেছেন, সাক্ষী কামাল হোসেন যে সিএনজি চালক তার কোন প্রমাণ নেই। আদালতকে তিনি যা বলছেন তা ইতোপূর্বে তদন্ত কর্মকর্তাকে বলেননি।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিনদিনে মামলার বাদি, মেজর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস ও ঘটনার সময় সিনহার সাথে থাকা সাবেক সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল। রোববার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন এই হত্যা মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী মোহাম্মদ আলী।

Alal Group

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদি হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্ত ভার দেয়া হয় র‍্যাবকে। ঘটনার ৬ দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ ৭ পুলিশ সদস্য আত্মসমপর্ণ করেন। ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।
পরে র‍্যাব পুলিশের দায়ের মামলার ৩ সাক্ষি এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে। সর্বশেষ গত ২৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব।
গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারি পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষি করা হয় ৮৩ জনকে

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email