1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
কুড়িগ্রামে লোকসানের কবলে আলুচাষি ও মজুতদাররা  - বিজয় বাংলা
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নন্দীগ্রামে ওয়ার্ড আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শুরু বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কেউ গৃহহীন থাকবে না — ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান কুষ্টিয়ায় ঘর থেকে মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার কাউনিয়ায় ঋণের দায়ে গলায় ফাঁস দিয়ে কাঠ ব্যাবসায়ীর আত্মহত্যা সুনামগঞ্জে শিশু অপহরণের ঘটনায় নারীসহ ২জনকে কারাগারে প্রেরণ কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ পুলিশ কনস্টেবল ও ২ মাদক কারবারি আটক টলিউডের নায়িকাদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের তিন অভিনেত্রী বাংলাদেশ-কুয়েত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব সুয়ারেসের জোড়া গোলে অ্যাতলেতিকোর রোমাঞ্চকর জয় করোনা: বিশ্বে মোট শনাক্ত ২৩ কোটি ৩ লাখ বগুড়ায় বাউল শিল্পীর মাথা ন্যাড়া করায় ৩ মাতব্বর গ্রেপ্তার শেরপুরে ‘দালালের অফিস’ উচ্ছেদ, সরকারি জায়গা উদ্ধার কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান    প্রার্থী শাহীনের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ নাটকীয় জয় মুস্তাফিজের রাজস্থানের জাতিসংঘ অধিবেশনের প্রথম দিনেই যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ নাইমুল আবরারের মৃত্যুতে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল বগুড়ায় লালু ও মোশারফকে জেলা বিএনপির অভিনন্দন শিবগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে নারী ট্রাক মালিক গ্রেফতার

কুড়িগ্রামে লোকসানের কবলে আলুচাষি ও মজুতদাররা 

  • সর্বশেষ সংস্করণ : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে
।। বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর প্রতিনিধি ।।
কুড়িগ্রাম জেলায় বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৫টি হিমাগার আছে।  উৎপাদন ভালো হওয়ায় এ বছর হিমাগারগুলো আলু দিয়ে পূর্ণ ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ খাবারের দোকানগুলো বন্ধ থাকায় সেভাবে হিমাগারগুলো থেকে আলু বের হয়নি। ফলে বিপুল পরিমাণ আলু মজুদ থেকে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে লাভের আশায় আলু মজুত করে এখন বড় লোকসানের কবলে পড়েছেন আলুচাষি ও মজুতদাররা।
লাভের আশায় চাষীরা এ বছর আলু চাষে বেশিই ঝুঁকেছিলেন। অনেকে বেশি দামের আশায় আলু হিমাগারে মজুদ করেছিলেন। কিন্তু বাজারে ভালো দাম না থাকায় লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন কৃষকরা। তাদের লোকসান ঠেকাতে আলু  রপ্তানির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে হিমাগার খরচসহ প্রতি কেজিতে উৎপাদন খরচ পড়ছে  ১৮ থেকে ২০ টাকা। আর বর্তমান আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০ থেকে সাড়ে ১০ টাকায়। এতে প্রতি কেজিতে লোকসান গুনতে হচ্ছে সাড়ে ৭ থেকে সাড়ে ৯ টাকা। এখন প্রতি বস্তা ডায়মন্ড আলুর দাম ৬০০ টাকা আর হিমাগারের ভাড়াই প্রতি বস্তা ২৬০ টাকা এবং আলু সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি খালি বস্তা কিনতে  হয়েছিল ১,শ  টাকা । তাই হিমাগারগুলোতে পাইকারি ব্যবসায়ী না যাওয়ায় জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে হিমাগারগুলোতে আলু পচে নষ্টও হচ্ছে অনেক।
এ বিষয়ে বিভিন্ন  ব্যাপারীরা জানান, হিমাগার থেকে ঋণ নিয়ে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন তারা ভালো দাম পাওয়ার আশায়। কিন্তু তাদের এখন লাভের ভাগ টিয়াপাখিতে খাওয়ার মতো অবস্থা। এভাবে আলুর দাম কমে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়ন এর সুভারকুটি গ্রামের আলু চাষী আঃ রাজ্জাক  জানান, প্রতি বছর প্রায় ১০০ একর জমিতে আলুর আবাদ করেন তিনি। এখন প্রতি কেজি আলু ১০ থেকে সাড়ে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে এ বছর প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ লাখ টাকার মতো লোকসান গুনতে হবে। লোকসান ঠেকাতে এবং কৃষক বাঁচাতে সরকারকে আলু বিদেশে রপ্তানির করার দাবিও জানান তিনি।
একই ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামের মোঃ আলম মিয়া নামের আর এক কৃষক অভিযোগ করেন, গত বছর আলুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসন থেকে বারবার দাম কমানোর জন্য এসেছে। দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ বছর তো আমরা দাম পাচ্ছি না। এ বছর কেউ আসে না, কৃষক মরলে কেউ দেখে না।
এ বিষয়ে সেকেন্দার বীজ হিমাগার লিমিটেড এর মালিক মোঃ সেকেন্দার আলী জানান, প্রতিটি হিমাগারের মালিক আলুর বিপরীতে কৃষকদের ঋণ দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে আলুর বাজার দর কম থাকায় এখনো প্রতিটি হিমাগারে প্রায় ৭০ ভাগ আলু সংরক্ষণে রয়েছে। এভাবে বাজারে আলুর বাজার দর নামতে থাকলে চাষী ও ব্যবসায়ীরা হিমাগার থেকে আলু বের করার আশা ছেড়ে দেবেন। এতে হিমাগারের মালিকদেরও লোকসান গুনতে হবে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন জানান, এবারে আলুর মৌসুমে বীজের দাম বেড়ে যাওয়ায় আলুর উৎপাদন খরচ বেশি হয়েছে। এছাড়া অন্যবারের মতো এবার বৃষ্টি না হওয়ায় শাকসবজিও নষ্ট হয়নি। এর ফলে আলুর উৎপাদন বৃদ্ধি ও শাকসবজির বাম্পার ফলনে আলুর দাম কম।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email