1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
জীবিকার কাছে জীবনের হার! - বিজয় বাংলা
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টাঙ্গাইলের শাপলা তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ভূঞাপুরে নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নৌকা বাইচ পন্ড, আহত ৫ টিকাবঞ্চিতদের জন্য গণটিকা মঙ্গলবার কালই বন্ধ হচ্ছে লাখ লাখ মোবাইল ফোনের বিভিন্ন সেবা নন্দীগ্রামে যুবলীগের আনন্দ মিছিল ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাবে সাগর উত্তাল সাপে কামড়ালে যা করবেন না সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিলেন প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা মেসিহীন পিএসজি’র জয়ের ধারা ধরে রেখেছে অবশেষে বিমানবন্দরে বসলো রেপিড টেস্ট ল্যাব ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’র মুকুট জিতলেন নাইমা ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ কি বাংলাদেশে আঘাত হানবে? এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ হতে পারে আজ ই-অরেঞ্জে কোটি কোটি টাকা আটকা, হাইকোর্টে ৩৩ গ্রাহক অঘটনের শিকার রোনালদোর ম্যানইউ সমুদ্রবন্দরগুলোয় ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত গফরগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, আহত ১ অর্থনীতি টেনে তুলতে এডিবির ২৫ কোটি ডলার ঋণ ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল এক্স-রে ও জিন এক্সপার্ট মেশিনের উদ্ভোদন প্রথম স্বামীর সঙ্গে ১দিন সংসার, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন অত:পর..

জীবিকার কাছে জীবনের হার!

  • সর্বশেষ সংস্করণ : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

গত এক মাসে করোনা পরিস্থিতির বড় কোনো পরিবর্তন নেই বলে দাবি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক সামাজিক বিস্তারের ফলে প্রতিদিনই সংক্রমণ ও মৃত্যু একই হারে চলছে। করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর দেশ এখনই সবচেয়ে সংকটময় সময় পার করছে। এমন অবস্থায় কার্যত কোনো ধরনের বিধিনিষেধ ছাড়াই আগামী বুধবার থেকে ‘শর্তসাপেক্ষে’ খুলে দেয়া হচ্ছে সবকিছু।
ওই দিন থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ, খুলবে অফিস-আদালত, মার্কেট-শপিংমল, দোকানপাট। গতকাল রবিবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে যদিও স্বাস্থ্যবিধি মানায় জোর দেয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে তা কতটুকু পালন হবে তা এখন দেখার অপেক্ষা। প্রতিদিন মোট যানবাহনের অর্ধেক গাড়ি রাস্তায় নামানোর শর্ত দেয়া হলেও তা নিশ্চিত করবে কে? প্রজ্ঞাপনে শপিংমল, লঞ্চ-ট্রেন-বাসে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করারও কোনো পরিকল্পনা দেখা যায়নি। এতে সংক্রমণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, এমনিতেই বাংলাদেশ এখন সংকটময় সময় পার করছে। প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ার কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই পাওয়া যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্বিষহ অবস্থার যে সৃষ্টি হবে না, তা হলফ করে বলা যাবে না। তবে লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় বন্ধ থাকায় জীবনের তুলনায় জীবিকার বিষয়টি বড় হয়ে দেখা দিয়েছে বলে অনেকেই বলছেন।

Alal Group

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ মানবকণ্ঠকে বলেন, ‘লকডাউন দিয়ে আমাদের মতো ঘনবসতিপূণ দেশে খুব একটা সুফল পাওয়া যাবে না। তাছাড়া লকডাউন দিয়ে দীর্ঘদিন চলা যাবে না। আমাদের নতুন করে জীবন শুরু করতে হবে। আমাদের মতো দেশে লকডাউনের নামে বেশিদিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা যাবে না। এতে কাজ বন্ধ থাকার কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ মধ্যবিত্তদের জীবন-জীবিকা নির্বাহও কষ্টের মধ্যে পড়ে যাবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও হোঁচট খাবে।
তিনি বলেন, আসলে করোনা সংক্রমিত হয় মানুষ থেকে মানুষে। বেশি মানুষ কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণ বাড়ে। তাই মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে, ভ্যাকসিন নিতে হবে। এগুলো যতদিন সঠিকভাবে মানা না হবে ততদিন সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে।
রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের বুলেটিনে অধিদফতরটির মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে গত এক সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত এক হাজার ৬৮৩ জন মারা গেছেন। গত সাত দিনের মধ্যে শনিবারই কম সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে। শতকরা হিসেবে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গত ৩০ দিনে সংক্রমণের যে চিত্রটি আমরা দেখেছি, সেটি প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে আছে। খুব বেশি উল্লেখ করার মতো বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ মাসের মধ্যে দেশে করোনাতে শনাক্ত রোগী ও করোনাতে আক্রান্ত রোগীর মৃতের সংখ্যায় সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাস গেছে গত জুলাই থেকে চলতি মাসের এই সময় পর্যন্ত। এই মাসে সাড়ে তিন লাখের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন সাড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ। এই সময়ের মধ্যেই দেশে করোনাতে রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর একের পর এক রেকর্ড হয়েছে। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর ২৬১ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে- যা কিনা দেশে এই ১৭ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত ৫ আগস্ট এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল অধিদফতরটি। আর সরকারি হিসাবে টানা ১৪ দিন ধরে প্রতিদিন ২০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত¡, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএসএম আলমগীর হোসেন বলেন, অনেকে লকডাউনের ফলে সুফল আসেনি বলে মন্তব্য করে থাকেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো লকডাউনের আগে যেভাবে করোনার সংক্রমণ প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছিল তাতে লকডাউন না দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতো। লকডাউন দেয়ার ফলে অধিকাংশ মানুষ ঘরে থেকেছে। ফলে বর্তমানে করোনার সংক্রমণ ২৭ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এখন সবকিছু খুলে দেয়া হচ্ছে। ফলে আগামীতে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
এদিকে গত ৩ আগস্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ১১ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে সবকিছু খুলে দেয়া হবে। কিন্তু গতকাল রবিবার একসঙ্গেই সব বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

Alal Group

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: সব সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা থাকবে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবেন। সড়ক, রেল ও নৌপথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়ক পথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন (সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক) অধক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দফতর-সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে।
শপিংমল-মার্কেট-দোকানপাটসমূহ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক খোলা রাখা যাবে। সব প্রকার শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে। তবে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা গত ১ আগস্ট থেকে খোলা রয়েছে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার বা বিনোদনকেন্দ্র খোলার বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সকল ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এ ছাড়া গণপরিবহন, বিভিন্ন দফতর, মার্কেট ও বাজারসহ যে কোনো প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব বহন করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চলমান এই লকডাউন আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানোর কথা গত ৩ আগস্টের বৈঠক শেষে জানিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। সেদিনই তিনি বলেছিলেন, এক সপ্তাহ ব্যাপকভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার পর ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস খুলবে। সীমিত পরিসরে ‘রোটেশন করে’ যানবাহন চলবে।
শনিবার থেকে শুরু হওয়া ছয় দিনের এই টিকাদান কর্মসূচিতে সারা দেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ৩২ লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। তবে মানুষের ব্যাপক সাড়া মেলায় তা ৩৫ লাখ ছাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
কাজের প্রয়োজনে যারা বাড়ির বাইরে আসছেন, তাদের টিকায় অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেহেতু দোকানপাট খুলতে হবে- সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানে সেদিকে আমাদের জোর থাকবে। শনিবার থেকে গণটিকা চালু করেছি। এটি ১২ তারিখ পর্যন্ত চলমান থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email