1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
বসুন্ধরা এমডির প্রেমিকার মৃত্যু: মামলায় জিআরও’র অতি আগ্রহ! - বিজয় বাংলা
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মায়ের ওপর অভিমান করে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা নারিকেল দুধে চিকেন কারি বোচামের জালে বায়ার্নের সাত গোল কারিনার মতো দেখায় টাইগারকে, যা বললেন জ্যাকি স্থগিত ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আজ থেকে চার ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ টিসিবির ট্রাকে পেঁয়াজ মিলবে ৩০ টাকায় বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলি, আহত ৫ কমিশনার অব প্রিজন আহমেদ ফুলহুর সাথে রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কবর জিয়ারত শাজাহানপুরে বাসের ধাক্কায় সেনা সদস্য নিহত শেরপুুরে ফুটবল খেলোকে কেন্দ্র করে মারপিট আহত-৪ শেরপুরে ভাতিজিকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর মুখে দুই চাচা সরকার পতন একদফা আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান-সাবেক এমপি লালুর কুষ্টিয়ায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট শাহিন  আটক বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কায় ভোটাররা তানোরে গৃহবধূকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় স্বামী শ্বশুড়ীকে মারধর এহসান গ্রুপের প্রতারকরা ধর্মব্যবসায়ী : মোমিন মেহেদী মধুখালীতে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালবীজ রোপণ

বসুন্ধরা এমডির প্রেমিকার মৃত্যু: মামলায় জিআরও’র অতি আগ্রহ!

  • সর্বশেষ সংস্করণ : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৫ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর গুলশানে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার (২১) রহস্যজনক মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর মামলায় পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে টাইম পিটিশন (সময় আবেদন) করেছে বাদীপক্ষ। আজ রোববার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ অনির্ধারিত ভার্চুয়াল শুনানি হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন, মুনিয়ার মামলা নিয়ে ঢাকা সিএমএম কোর্টে অস্বাভাবিক সব কাণ্ড চলছে। সকল মামলা বাদ দিয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের জিআরও (সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা) এর এই মামলা নিয়ে এত অতি আগ্রহের কারণ কী?
দেশজুড়ে আলোচিত এ মামলার বাদী নিহত মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া মানবকণ্ঠকে জানান, তিনি মামলার শুনানির তারিখ জানতেন না। শনিবার গভীর রাতে তিনি হঠাৎ করে জানতে পারেন, রোববার মুনিয়ার মামলার শুনানি। পরে সকালে তিনি নিজে ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশ নেন। তার একজন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিনের মাধ্যমে টাইম পিটিশন করলে তা গ্রহণ করেন বিচারক। এ ছাড়া ব্যারিস্টার সরোয়ারসহ আরো চার-পাঁচজন আইনজীবী থাকলেও তারা ভার্চুয়ালে প্রবেশ করতে পারেননি।

Alal Group

এর আগে মুনিয়া ‘আত্মহত্যা’ প্ররোচনা মামলায় পুলিশ প্রতিবেদনের ওপর প্রথম শুনানির তারিখ ছিল গত ২৬ জুলাই। এদিনে বাদীপক্ষ না-রাজি আবেদনসহ অংশ নিতে চাইলে শুনানি হয়নি। জানানো হয় নিয়মিত আদালত চালু হলে নতুন নির্ধারিত তারিখে শুনানি হবে। তবে সেদিন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত বাদীর ওকালতনামা ও রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তা করার জন্য আইনজীবী নিয়োগের আবেদন গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সরোয়ার।
গত ১৯ জুলাই গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল হাসান চাঞ্চল্যকর মুনিয়া ‘আত্মহত্যা’ প্ররোচনা মামলা থেকে প্রধান আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এরপর বাদী মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়াকে ২৯ জুলাই আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন বিচারক।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন গতকাল বিকেলে ফেসবুক পোষ্টে লেখেন, “মুনিয়া কেস: সিএমএম কোর্টে অস্বাভাবিক সব কাণ্ড চলছে। গতকাল (৮ আগষ্ট) নির্ধারিত তারিখ ছিল না। সাধারণত লকডাউনে পর একটি তারিখ পরবে। হাজার হাজার মামলা এভাবে তারিখ পরার অপেক্ষায়। রাষ্ট্রপক্ষ কিছুই জানে না। অথচ জিআরও সকাল সাড়ে ১০টায় বাদিনীর আইনজীবীকে ডেকে নিয়ে সময়ের আবেদন গ্রহণ করে, শুনানির আয়োজন করে। প্রশ্ন হলো-অন্য সকল মামলা বাদ দিয়ে জিআরও এর এই মামলা নিয়ে এত অতি আগ্রহের কারণ কি?”
এর আগে গত ২২ জুলাই সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের তৎকালীন উপ-কমিশনার (বর্তমান এসপি, বগুড়া) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় তিন মাসের পুলিশি তদন্তে ও ডাক্তারি পরীক্ষায় উঠে এসেছে মুনিয়া আত্মহত্যা করেছেন। এক্ষেত্রে আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীরের প্ররোচনার কোনো ‘সম্পৃক্ততা বা দোষ খুঁজে পায়নি’ পুলিশ। ফলে আসামিকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করে ১৯ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। বিষয়টির প্রতিবাদ জানিয়ে মুনিয়া ‘আত্মহত্যা’ প্ররোচনার মামলার পুনর্তদন্তের দাবি জানিয়ে পরবর্তীতে বিবৃতি দেন দেশের ৫১ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এতে আসামি আনভীরকে গ্রেফতার কিংবা জেরা না করায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি মামলার সুষ্ঠু তদন্ত হয়েছে কিনা এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা কন্যা মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আসামির বিচারের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দেন সচেতন নেটিজেনরা।

Alal Group

তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার পর মামলার বাদী নুসরাত জানিয়েছেন, আমরা মনে করছি না পুলিশ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু তদন্ত করেছে। টাকার দাপট খাটিয়ে মামলার তদন্তকে প্রভাবিত করেছে আমার বোনের ঘাতক আনভীর। ফলে মামলার পুনরায় তদন্তের জন্য আদালতে নারাজি আবেদন করবো। তিনি জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আনভীর আমার বোন মুনিয়াকে প্রায় দুই বছর ভোগ করেছে। পরবর্তীতে চরম প্রতারণা করেছে। মৃত্যুর পর অন্তঃসত্ত্বা থাকার বিষয়টিও ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। লাশ দেখেই বোঝা গিয়েছিল এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
গত ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান তানিয়া। সেখানে বলা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সায়েম সোবহান আনভীর দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন মুনিয়ার সঙ্গে। ওই বাসায় তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। কিন্তু বিয়ে না করে তিনি উল্টো মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন মুনিয়াকে। পরবর্তীতে নুসরাত দাবি করেন, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে আনভীর।
মুনিয়া ঢাকার মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মো. সফিকুর রহমান। বাড়ি কুমিল্লার মনোহরপুরে, পরিবার সেখানেই থাকেন। মৃত্যুর মাস দুয়েক আগে এক লাখ টাকায় ভাড়া নেয়া গুলশানের ওই ফ্ল্যাটে উঠেছিলেন মুনিয়া। ওই বাসা ভাড়ার টাকা আনভীর দিতেন বলে পুলিশ ও স্বজনরা জানায়। গুলশানের বাসা থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে তার মোবাইলসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উদ্ধার করে পুলিশ, যার মধ্যে ছয়টি ডায়েরি ছিল। সিসিটিভির ভিডিও পরীক্ষা করে মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের প্রমাণ পাওয়ার কথাও সেসময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email