1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
বঙ্গমাতা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী - বিজয় বাংলা
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফুলবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় কাস্টম ইন্সেপেক্টর নিহত মায়ের ওপর অভিমান করে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা নারিকেল দুধে চিকেন কারি বোচামের জালে বায়ার্নের সাত গোল কারিনার মতো দেখায় টাইগারকে, যা বললেন জ্যাকি স্থগিত ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আজ থেকে চার ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ টিসিবির ট্রাকে পেঁয়াজ মিলবে ৩০ টাকায় বান্দরবানে পর্যটকবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলি, আহত ৫ কমিশনার অব প্রিজন আহমেদ ফুলহুর সাথে রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কবর জিয়ারত শাজাহানপুরে বাসের ধাক্কায় সেনা সদস্য নিহত শেরপুুরে ফুটবল খেলোকে কেন্দ্র করে মারপিট আহত-৪ শেরপুরে ভাতিজিকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর মুখে দুই চাচা সরকার পতন একদফা আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান-সাবেক এমপি লালুর কুষ্টিয়ায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট শাহিন  আটক বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কায় ভোটাররা তানোরে গৃহবধূকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় স্বামী শ্বশুড়ীকে মারধর এহসান গ্রুপের প্রতারকরা ধর্মব্যবসায়ী : মোমিন মেহেদী

বঙ্গমাতা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ সংস্করণ : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আদর্শ ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে নতুন প্রজন্ম।’
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শনিবার (৭ আগস্ট) এক বাণীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এসব কথা বলেন।

Alal Group

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গমাতা সংকটে সংগ্রামে নির্ভীক সহযাত্রী’ যথার্থ হয়েছে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে সর্বক্ষণের সহযোগী ও অনুপ্রেরণাদায়ী এই মহীয়সী নারীর কর্মময় জীবনের প্রকৃত অর্থ প্রতিফলিত হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

Alal Group

ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৩ বছর বয়সে তিনি বাবা এবং ৫ বছর বয়সে মাকে হারিয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর পিতা-মাতার কাছে লালিত-পালিত হন। চাচাতো ভাই শেখ মুজিবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি জাতির পিতার সঙ্গে একই স্বপ্ন দেখতেন। এ দেশের মানুষ সুন্দর জীবন পাক, ভালভাবে বাঁচুক এই প্রত্যাশা নিয়েই তিনি বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সব সময় ছিলেন সজাগ এবং দূরদর্শী। একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন।‘
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রাজনৈতিক সাফল্যে বঙ্গমাতা উল্লেযোগ্য অবদান রাখেন। জাতির পিতা রাজনৈতিক কারণে প্রায়ই কারাগারে বন্দি থাকতেন। এই দুঃসহ সময়ে তিনি হিমালয়ের মতো অবিচল থেকে একদিকে স্বামীর কারামুক্তিসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, অন্যদিকে সংসার, সন্তনদের লালন-পালন, শিক্ষাদান, বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা এবং মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ৬ দফা ও ১১ দফার আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ অবদান রাখেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তনি হানাদার বাহিনীর হাতে গৃহবন্দি থেকে এবং পাকিস্তানে কারাবন্দি স্বামীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে গভীর অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা সত্ত্বেও তিনি সীমাহীন ধৈর্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন।’
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং সামাজিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। দেশ ও জাতির জন্য তার অপরিসীম ত্যাগ, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতার কারণে জাতি তাকে যথার্থই বঙ্গমাতা উপাধিতে ভূষিত করেছে। স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী অপশক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতার সঙ্গে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকেও সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে, যা জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email