1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
সবজি চাষে কৃষকের লাভের স্বপ্ন ভেসে যাচ্ছে বৃষ্টিতে - বিজয় বাংলা
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টিকাবঞ্চিতদের জন্য গণটিকা মঙ্গলবার কালই বন্ধ হচ্ছে লাখ লাখ মোবাইল ফোনের বিভিন্ন সেবা নন্দীগ্রামে যুবলীগের আনন্দ মিছিল ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাবে সাগর উত্তাল সাপে কামড়ালে যা করবেন না সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিলেন প্রণবকন্যা শর্মিষ্ঠা মেসিহীন পিএসজি’র জয়ের ধারা ধরে রেখেছে অবশেষে বিমানবন্দরে বসলো রেপিড টেস্ট ল্যাব ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ’র মুকুট জিতলেন নাইমা ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ কি বাংলাদেশে আঘাত হানবে? এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ হতে পারে আজ ই-অরেঞ্জে কোটি কোটি টাকা আটকা, হাইকোর্টে ৩৩ গ্রাহক অঘটনের শিকার রোনালদোর ম্যানইউ সমুদ্রবন্দরগুলোয় ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত গফরগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, আহত ১ অর্থনীতি টেনে তুলতে এডিবির ২৫ কোটি ডলার ঋণ ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিজিটাল এক্স-রে ও জিন এক্সপার্ট মেশিনের উদ্ভোদন প্রথম স্বামীর সঙ্গে ১দিন সংসার, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন অত:পর.. নভেম্বরে মাঝামাঝিতে এসএসসি, ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা শেহনাজকে ‘ছায়াসঙ্গী’ রাখার পরামর্শ দিলেন নবনিধি

সবজি চাষে কৃষকের লাভের স্বপ্ন ভেসে যাচ্ছে বৃষ্টিতে

  • সর্বশেষ সংস্করণ : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

শাহজাহান সিরাজ, কয়রা ঃ গত ৩ দিন ধরেই খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নেমেছে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। কখনো কখনো বাড়ছে বৃষ্টির বেগ। কখনো মেঘাচ্ছন্ন আকাশে নেই রোদের দেখা। বিশেষ করে নিচু ক্ষেতে পানি জমে ক্ষতির কবলে পড়েছে সবজি। আর এতেই কপাল পুড়েছে গ্রীস্মকালীন টমেটো, ঢেড়ষ, হলুদ, বেগুন, ওল, কচু, মরিচ, পটল, করলাসহ এই অঞ্চলের গ্রীস্মকালীন সবজি। ইয়াসের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই টানা বৃষ্টিতে কৃষকের সবজি ফলস, মৎস্য ঘের তলিয়ে ও চলতি আমন মৌসুমের বীজতলা পানিতে ডুবে গিয়ে কয়রার মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই অবস্থা না কাটলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন চাষীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রীস্মকালীন টমেটো, ঢেড়ষ, হলুদ, বেগুন, ওল, কচু, মরিচ, পটল, করলাসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ হয়েছে। গ্রীস্মকালীন এসব সবজি ক্ষেতে পানি জমে আছে। আবার নদীতে বাঁধ, নেট, পাটা দেওয়া থাকায় পানি নিষ্কাশন ঠিকমত না হওয়ায় ঘের, আমন ধানের বীজতলা সহ সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। কয়রা উপজেলার ৪ নং কয়রা গ্রামে সবজি চাষী গোপাল সরদার বলেন, কয়েকদিন আগেও তরতরিয়ে বেড়ে উঠেছিল সবজির চারাগাছ। কিন্তু চলমান বৃষ্টিতে একেবারেই নেতিয়ে পড়েছে ক্ষেত। এবার লাভের মুখ দেখার সময় বৃষ্টির পানিতে সব শেষ করে দিল। এখন পাম্প লাগিয়ে পানি সেচতেছি। গোপাল আরো বলেন, এবার ১ বিঘা জমিতে টমেটো, ১ বিঘা জমিতে ঢেড়ষ, ১০ কাটায় বেগুন ও মিষ্টি কুমড়া লাগিয়েছিলাম। কিন্তু কয়েকদিন দিন থেকে বৃষ্টিতে গ্রীস্মকালীন টমেটো ও ঢেড়ষ ক্ষেত সহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে কাদা কাদা হয়ে গেছে। সবজি তুললেই ক্ষেতের আরো ক্ষতি হবে। আবার ঢেড়ষ না তুললে পেকে যাবে। এছাড়া সূর্য না উঠাই অথ্যাৎ রোদ না থাকায় অনেক গাছ হলুদ হতে শুরু করেছে এবং কিছু মরিচ গাছ মরে গেছে। ২ নং কয়রা গ্রামের রবীন্দ্র ঢালী বলেন, তিনি ১ বিঘা হলুদ ও ১০ কাঠা বেগুন ও ধুন্দল চাষ করেছেন। কিন্তু টানা বৃষ্টি পাতের ফলে ক্ষেতের অধিকাংশ গাছ মরে গেছে। সে সব জমিতে পানি জমে আছে। এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সব নষ্ট হয়ে যাবে। প্রকৃতির এই বিরুপ আচরনে নিয়ন্ত্রন নেই তাদের। কয়েকদিন আগেও তরতরিয়ে বেড়ে উঠেছিল সবজির চারাগাছ। কিন্তু চলমান বৃষ্টিতে একেবারেই নেতিয়ে পড়েছে ক্ষেত। ক্ষেত স্যাতস্যাতে হওয়ায় গোড়া পড়ে মরেও যাচ্ছে চারাগাছ । বাড়তি লাভের আশায় সবজি চাষে নামা কৃষকের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাজ । আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেন, এই মহুর্তে সমুদ্রে বিরাজ করছে নিম্মচাপ। এরই প্রভাবে খুলনা সহ দেশ জুড়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আরো কয়েকদিন নাগাত নিম্মচাপ থাকতে পারে। নিম্মচাপ কেটে গেলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগ বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসান জানান, কৃষকের মাঠে গিয়ে পানি অপসারন করার জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। পানি নিস্কাশন করতে পারলে ৫০ ভাগ সবজি গাছ বাচানো সম্ভব। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়রায় এবার ২৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট খুলনার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনর রশিদ বলেন, কাইমেট চেঞ্জ এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চলছে একটানা বৃষ্টি। এর ফলে ধানের বীজতলা সহ নষ্ট হয়েছে সবজির ক্ষেত। এমনিতে এ সময় সবজি কম থাকে তার উপর মৌসুমি বায়ুর প্রভাব। ফনি আম্পান, ইয়াস, অনাবৃষ্টি. অতিবৃষ্টি এ যেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের নিত্য দিনের সঙ্গী।

Alal Group

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email