1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
রাশেদের রোজগারে চলে মায়ের চিকিৎসা ও তিন সদস্যের সংসার - বিজয় বাংলা
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস বগুড়ার অভিযানে চার ব্যবসায়ীর জরিমানা শেরপুরে দায়ের কোপে আহত মিজানুর রহমান শেরপুরে অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে, নিজেই লাশহয়ে ফিরলের বাড়ীতে নিখোঁজের দু’বছর পর এক তরুণের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে পোনা মাছ অবমুক্ত আদমদীঘিতে ইউএনও‘র বিদায়ী সংবর্ধনা আদমদীঘিতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-১ নবীনগরে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ শেরপুরে ভাদড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের উদ্বোধন শেরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎ সাহী সমাজকর্মী খোকন শেরপুরে নিখোঁজে ৩দিন হলেও সন্ধান মেলেনি উজ্জলের নারায়ণগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মইন খানের সমালোচনার জবাব দিলেন রিজওয়ান টাঙ্গাইলে জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর আটক সিরাজগঞ্জে ১৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ২ জন আটক মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সময়ের খবরের শোহান সিরাজগঞ্জে সোস্যাল ওয়ার্ক সেন্টারে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত বাগেরহাটে মামার ঘেরে মাছ চুরি, দেখে ফেলায় পাহারাদারকে হত্যা

রাশেদের রোজগারে চলে মায়ের চিকিৎসা ও তিন সদস্যের সংসার

  • সর্বশেষ সংস্করণ : শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

আব্দুল ওয়াদুদ :
কোমলমতি হাতে এখন বই-খাতা আর কলম নিয়ে চিন্তা ভাবনায় থাকার কথা। এবং সহপাঠীদের সঙ্গে আনন্দ উল্লাসে দিন কাটানোর কথা। কিন্তু সেই হাতে ধরতে হয়েছে মায়ের চিকিৎসার খরচ ও সংসারের হাল। জীবন-জীবিকার তাগিদে লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসারে জোগান দিচ্ছে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র রাশেদ হাসান (১৪)। রাশেদ হাসান দি পারফেক্ট আইডিয়াল পাবলিক স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। বাবা হাফিজার রহমান মারা গেছেন ৮ বছর আগে। পেশায় তিনি ছিলেন একজন ট্রাক ড্রাইভার। বাবা, মা, দুই নিয়ে চার সদস্যের পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বাবা। এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান ট্রাক ড্রাইভার হাফিজার রহমান।

Alal Group

এরপর থেকে রাশেদের মা নাছিমার মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। ৬ বছরের সন্তান রাশেদ ও দুই বছরের শাওনকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলতো তাদের জীবন। গত এক বছর হয়ে যায় মা অসুস্থ হয়ে পরে। পরিবার ও নিজের হাত খরচের জন্য সামান্য আর্থিক চাহিদা পূরণ করতে তিনি লেখাপড়ার পাশাপামি ছুটির দিনে রাজমিস্ত্রির কাজ হাতে তুলে নিয়েছেন। করোনায় স্কুল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মায়ের ঔষধ ও সংসারের যোগান দিতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেও হিমশিম খাচ্ছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী রাশেদ।
রাশেদ হাসান বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের আন্দিকুমড়া গ্রামের মৃত হাফিজর ড্রাইভারের ছেলে। রাশেদ হাসান বলেন- করোনায় স্কুল বন্ধ কাজও কম। কি করব, পড়াশোনা ও নেই। আমার বন্ধুরা মোবাইলে অনলাইন ক্লাস করলেও কেন হাতে কোদাল আর কাঁধে ভার নিয়ে ছুটছো কেন ? জবাবে রাশেদ হাসান বলেন- একদিকে সামনে ঈদ ছোটভাইকে আছে, মায়ের চিকিৎসার খচর এছাড়াও সংসার খরচতো আছেই। ঠিকমত কাজও পাওয়া যায়না। খুব কষ্টে দিনকাটছে। তাই যদি আমাকে একটু সাহায্য করে আমার উপকার হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে শিশু শ্রম বাড়ার পাশাপাশি স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। স্থানীয় রাজমিস্ত্রির হেট বেলালের কাছ থেকে জানা যায়, আমাদের মতো গরিব মানুষর ছেলেরা বেশি ভাগ সংসারের হাল করতে নিরুপায়। তাই এমন কাজে করতে বাধ্য হয় তারা। কিন্তু রাশেদ হাসানের যদিও একটু ভিন্ন। সে শিশু হয়েও সংসারের হাল ধরতে নিরুপায় অল্প বয়সে বাবা মারা গেছে সংসারের হাল ধরেছিল মা, সেই মা আজ অসুস্থ। ছোট ছেলেটি সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

Alal Group

শেরপুর সরকারি ডিজে মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আকতার উদ্দিন জানান, এ সময়টা করোনাকালীন সময়। শিক্ষার্থী ওরা ঘরবন্ধি। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনার প্রতি তাদের কোন আগ্রহ নেই। এতে করে শিক্ষার্থী আরও অকালে ঝড়ে পড়ছে। অনলাইন ক্লাসের নামে ক্ষুদে ছাত্ররা মোবাইলে নানা ধরণের গেমসে আসক্ত হচ্ছেন। এছাড়া এমন অনেক হতদরিদ্র পরিবার আছে, যেখানে শিশু শিক্ষার্থীরা সংসারের খরচ চালাতে রাজমিস্ত্রির কাজ, ভাড়ায় ভ্যানগাড়ি, অটোভ্যান চালিয়ে বা অন্যান্য কাজকর্ম করে সংসারের হাল ধরে থাকেন।
শুধু রাশেদ হাসান নয়। তার মতো নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরা করোনাকালে পড়াশোনা থেকে দূরে গিয়ে পরিবারের অর্থের যোগান দিচ্ছেন নানা ধরণের কাজ করে।
উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের কেল্লা উচ্চ বিদ্যােেলয় প্রধান শিক্ষক শাজাহান আলী বলেন, ‘করোনায় স্কুল বন্ধ আমার প্রতিষ্ঠানটি প্রান্তিক এলাকায় হওয়ায় বেশীর ভাগ শিশুই হতদরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে। রাস্তা-ঘাটে আমার স্কুলের অনেক শিক্ষার্থীকেই দেখি ব্যাটারিচালিত ভ্যান গাড়িতে যাত্রী কিংবা মালামাল পরিবহন করছে। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নজমুল হক জানান- বিষয়টি দুঃখজনক, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে ও পারিবারিক অসচ্ছলতায় অনেক শিশুকেই আজকাল বিভিন্ন ধরনের কাজে জরিয়ে পড়ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email