1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
৯ বছর পর জায়গা বদলাবে চাঁদ, ভয়াবহ বন্যা দেখবে পৃথিবী! - বিজয় বাংলা
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ চার বিভাগে বৃষ্টির আভাস বগুড়ার অভিযানে চার ব্যবসায়ীর জরিমানা শেরপুরে দায়ের কোপে আহত মিজানুর রহমান শেরপুরে অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়ে, নিজেই লাশহয়ে ফিরলের বাড়ীতে নিখোঁজের দু’বছর পর এক তরুণের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার আদমদীঘিতে পোনা মাছ অবমুক্ত আদমদীঘিতে ইউএনও‘র বিদায়ী সংবর্ধনা আদমদীঘিতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার-১ নবীনগরে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ শেরপুরে ভাদড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মূল ফটকের উদ্বোধন শেরপুর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎ সাহী সমাজকর্মী খোকন শেরপুরে নিখোঁজে ৩দিন হলেও সন্ধান মেলেনি উজ্জলের নারায়ণগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা মইন খানের সমালোচনার জবাব দিলেন রিজওয়ান টাঙ্গাইলে জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর আটক সিরাজগঞ্জে ১৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ ২ জন আটক মিডিয়া ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সময়ের খবরের শোহান সিরাজগঞ্জে সোস্যাল ওয়ার্ক সেন্টারে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত বাগেরহাটে মামার ঘেরে মাছ চুরি, দেখে ফেলায় পাহারাদারকে হত্যা

৯ বছর পর জায়গা বদলাবে চাঁদ, ভয়াবহ বন্যা দেখবে পৃথিবী!

  • সর্বশেষ সংস্করণ : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ৪৮৭ বার দেখা হয়েছে

প্রতিনিয়ত বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা ও তীব্রতা বেড়েছে। আমেরিকা সম্প্রতি একাধিক ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান এবং উচ্চ জোয়ার চাঁদের সাথে সম্পর্কিত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি চাঁদ কিছুটা অবস্থান পরিবর্তন করে তবে সারাবিশ্বে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেবে।
উচ্চ জোয়ারের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে নিউইসান্স বন্যা বলা হয়। এমন সময়ে, সমুদ্রের তরঙ্গগুলো তাদের গড় উচ্চতা থেকে ২ ফুট বেশি উত্থিত হয়। যার ফলে শহরগুলোতে জল ঢুকতে থাকে। ঠিক যেমন বর্ষার সময় মুম্বাইয়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এ কারণে পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে।

Alal Group

জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, আমেরিকাতে উচ্চ জোয়ারের কারণে ২০১৯ সালে ৬০০ বার বন্যা হয়েছিল। কিন্তু নাসার এক নতুন গবেষণা অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমেরিকা-সহ বিশ্বে অনেক জায়গায় নিউইসান্স বন্যা দেখা দেবে। ফলে উচ্চ জোয়ারের সময় আসা তরঙ্গগুলোর উচ্চতা প্রায় ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি হবে।
নাসার এই সমীক্ষাটি গত মাসে নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে নাসা এখন সতর্ক করেছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে নিউইসান্স বন্যা অনেক বেড়ে যাবে। এগুলো বছরে একবার বা দু’বার আসবে না, বরং প্রতি মাসে আসবে। কারণ যখনই চাঁদের কক্ষপথে সামান্য পরিবর্তন হবে তখনই এই বন্যা আরও ক্ষতিকারক হয়ে উঠবে। উপকূলীয় অঞ্চলে এই বন্যা প্রতি মাসে দু-তিনবার আসবে।
চাঁদের অবস্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে উপকূলীয় অঞ্চলে নিউইসান্স বন্যা সেখানে বাসকারী মানুষের পক্ষে বিপদজনক হয়ে উঠবে। এটি এড়াতে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোকে পরিকল্পনা করতে হবে। হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফিল থম্পসন এক বিবৃতিতে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটি ঘটবে। এর কারণে পৃথিবীতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হবে।

Alal Group

ফিল থম্পসন বলেছেন, মাসে যদি এইরকম বন্যা ১০-১৫ বার ঘটে তবে মানুষের কাজ কারবার বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষের আয় ব্যাহত হবে। চাকরি আর থাকবে না। অবিচ্ছিন্ন জলের কারণে মশা বাহিত রোগগুলোও বৃদ্ধি পাবে। চাঁদের কারণে পৃথিবীর উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যার পরিমাণ ও সময় বাড়বে। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বিশ্বজুড়ে বরফ এবং হিমবাহ গলে যাচ্ছে। এর কারণে সমুদ্রের স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের দেওয়া তথ্যানুসারে, ১৮৮০ সাল থেকে সমুদ্রের জলস্তর ৮ থেকে ৯ ইঞ্চি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উচ্চতাগুলোর এক তৃতীয়াংশ গত ২৫ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১০০ সাল নাগাদ, সমুদ্রের স্তর ১২ ইঞ্চি থেকে ৮.২ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। এটি রোধ করতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করতে হবে। তবে কয়েক দশক লাগবে এই কাজ শেষ করতে, যা সহজ নয়।
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের এক নতুন সমীক্ষা অনুসারে, চাঁদ সর্বদা সমুদ্রের তরঙ্গকে প্রভাবিত করে আসছে। চাঁদের টান এবং চাপ উভয়ই বছরের পর বছর ভারসাম্যপূর্ণ রয়েছে। চাঁদ যদি তার কক্ষপথের অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করে, তবে এটি পৃথিবীর উপকূলীয় অনেক অঞ্চলকে প্লাবিত করবে। কারণ চাঁদ ১৮.৬ বছরে তার জায়গায় সামান্য পরিবর্তন করে। এই সময়ের মধ্যে অর্ধেক সময়, চাঁদ পৃথিবীর ঢেউকে দমন করে। তবে অর্ধেক চক্রের পর চাঁদ তরঙ্গকে তীব্র করে তোলে। তাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করে, যা বিপজ্জনক।
নাসা জানিয়েছে যে এখন চাঁদের ১৮.৬ বছরের পূর্ণচক্রের অর্ধেকটি শুরু হতে চলেছে, যা পৃথিবীর তরঙ্গকে ত্বরান্বিত করবে। ২০৩০ সালে এটি ঘটবে। ততক্ষণে বৈশ্বিক সমুদ্রের স্তরটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এই কারণে বিশ্বের অনেক দেশে নিউইসান্স বন্যার সমস্যা দেখা দেবে। আমেরিকাতে এর চেয়ে আরও বেশি সমস্যা থাকবে। কারণ সে দেশে উপকূলীয় এলাকায় অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে।
নাসা বলেছে, জলবায়ু চক্রের এল নিনোর মতো ঘটনাও বন্যার দিকে পরিচালিত করবে। নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী বেন হ্যামলিংটন বলেছেন- এই সমস্ত ঘটনা প্রতি মাসে ঘটবে। এটিও হতে পারে যে বছরের এক অংশে এত বন্যা হবে যে সারা বছর আপনার সমস্যা থাকবে। সূত্র: লাইভ সায়েন্স

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email