1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দিন - বিজয় বাংলা
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে শিশু শিক্ষার্থী মিষ্টিকে বাচাঁতে বাবা ও মায়ের সাহায্যের আবেদন রাতের আঁধারে অসহায়ের মানুষের পাশ্বে মোহাম্মদ নাসিম স্মৃতি সংসদ কাজিপুর বোনকে ধর্ষনের চেষ্টা, লম্পট ভাই গ্রেফতার সুবর্ণচরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ দেওয়ানগঞ্জে কঠোর ভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রশাসন শিবগঞ্জে কুরবানী ঈদে ১২টি গরু বিক্রির টাকা চুরির ঘটনায় আটক ১ জাপান থেকে ঢাকায় পৌঁছেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২ লাখ ৪৫ হাজার টিকা বন্দুকের নল থুতনিতে লাগিয়ে সেলফি, উড়ে গেলো মাথা-মগজ বাগেরহাটে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত বগুড়ায় সাড়ে ৩০ কেজি ওজনের বিষ্ণুমূর্তিসহ গ্রেফতার ১ দেশে হঠাৎ বেড়েছে করোনার সংক্রমণ, মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টিতে নাকাল হবে দেশ শেরপুরে অভিনব কায়দায় ট্রাক ছিনতাই ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি আসছে বগুড়ার সারিয়াকান্দি পরিচয়বিহীন তরুণী উদ্ধার কয়রায় মুজিব বর্ষের ২৫ টি আশ্রয় কেন্দ্রে নারিকেলের চারা বিতরণ শেরপুরে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা শেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানায় খুশির কোরবানির ঈদ বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গে মৃত্যু ২৪ মেধাবীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হওয়ার আহবান – এমপি বাবু

শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দিন

  • সর্বশেষ সংস্করণ : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে
প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী

প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী
দেশে এ মুহূর্তে ৪৯টি সরকারি ও ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদিও দীর্ঘ করোনা অতিমারি সারা বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থাকে অনেকটা স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের অবস্থা আরও করুণ। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী চিহ্নিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে একই মাসের ১৭ তারিখ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। যার মেয়াদ অনেকবার বৃদ্ধি করে তা সর্বশেষ ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। বারবার সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয়া হলেও তা বাস্তবে পরিণত হয়নি।
দেশের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানের এই ক্রমাবনতি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় ভিসি নিয়োগ, মেধার পরিবর্তে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগই এমন ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী। এছাড়া গবেষণা খাতে অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পূর্ব ঘোষণা থাকলেও সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ডেল্টা ভেরিয়েন্টের চোখ রাঙানির ফলে তা আর সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জোরালো হওয়ার প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এক বছর পরীক্ষা না হলে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। অথচ যারা ভুক্তভোগী তারা বলছেন যে তারা সেশনজটে পড়ছে, বয়স বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু চাকরিতে আবেদন করার বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। আবেদনের বয়সসীমা বাড়ানো না হলে প্রকৃত অর্থেই শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
জীবন-জীবিকা, শিল্প-বাণিজ্য, উৎপাদন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, কৃষি ও শিক্ষা সচল রাখতে হলে টিকাকরণই হলো এখন একমাত্র উপায়। তাই টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশেই দ্রুত টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। যদিও কাজটি সহজ নয়, তা সত্ত্বেও আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। দেশের শিক্ষাক্ষেত্র স্থবির। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চাবি এখন করোনা টিকার হাতে। দিন দিন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি শিক্ষার গুণগত মান।

Alal Group

গত দুই দশকে শিক্ষার গুণগত মানের নিম্নমুখীধারা দেশবাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কিছুদিন আগে পর্যন্ত গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত ছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য বা তাদের মনোনীত ব্যক্তিরাই ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও এখন আর তা সম্ভবপর নয়। রাজনৈতিক বিবেচনায় এমন ব্যক্তিরা শিক্ষার উন্নয়নে যতটা না আগ্রহী তার চেয়ে হাজারগুণ বেশি আগ্রহী ছিলেন অনিয়ম, দুর্নীতি ও সীমাহীন স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ প্রদানে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে মেধাবী নয় বরং নিয়োগ পেয়েছেন মেধাহীন ব্যক্তিরা।
একজন শিক্ষক ৩০-৪০ বছর শিক্ষক হিসেবে শিক্ষাদান করেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এমন মেধাহীন শিক্ষক জাতি গঠনে অবদান রাখা তো দূরের কথা বরং মেধাহীন উচ্চশিক্ষিত বেকার তৈরি করতে ভূমিকা রাখবেন। আমাদের দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল। ফলে জ্ঞান বিজ্ঞানের নতুন নতুন শাখা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত হলেও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক তৈরি করার ক্ষেত্রে বরাবরই আমরা অনীহা প্রকাশ করে আসছি। শহরের চেয়ে গ্রামীণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তার শিক্ষকদের অবস্থা আরও শোচনীয়।
গত দুই দশকে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাহীন ও অযোগ্য ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদানের একটা ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে। বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীকে বাদ দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে আবেদন করার যোগ্যতাই নেই এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে ব্যাপকভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। যে ছেলেটি মেধাতালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিন ভর্তি হতে পারেনি সে কিনা কোনো এক আলাদিনের চেরাগের স্পর্শ পেয়ে আজ সে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
অনেকের আবার আবেদন করার যোগ্যতাই ছিল না। তাতে কি? আত্মীয়স্বজন, ছেলে-মেয়ে, মেয়েজামাইকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদানের জন্য অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ ভাবে কাঙ্ক্ষিত মার্কস বা সিজিপিএ কমিয়ে দেয়া হয়েছে। বঞ্চিত করা হয়েছে মেধাবীদের। এখন তো আবার ফেল করা দ্বিতীয় শ্রেণি প্রাপ্তকেই রাতের আঁধারে মানবিক করণে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। যে কিনা ছাত্রজীবনে মেধারভিত্তিতে ভর্তিই হতে পারেনি।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সরকারের পক্ষ থেকে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয় তার সিংহভাগই ব্যয় করা হয় শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি খাতে আর দালান-কোঠা নির্মাণে। গবেষণা খাতের বরাদ্দ শুধু কমই নয় অপ্রতুলও বটে। সরকারি ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানোন্নয়নের জন্য কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। একসময় বিদেশি স্কলারশিপ মেধারভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করার প্রচলন থাকলেও এখন তা সরকারি আমলারা নিজেরাই ভাগবাটোয়ারা করে নেয়, যা তাদের পেষাগত উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে তেমন কোনো কাজে আসে বলে মনে হয় না। উন্নত বিশ্বে গবেষণা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হয়ে থাকলেও আমাদের ক্ষেত্রে তা একেবারেই নগণ্য।
দেশের মাদরাসা শিক্ষার অবস্থা আরও শোচনীয়। যোগ্য ও মেধাবী আলেম শিক্ষকের অভাব এই মুহূর্তে প্রকট আকার ধারণ করেছে। সরকারি তিনটি মাদরাসার অবস্থা তো আরও সঙ্কটাপন্ন। মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ অধিকাংশ কর্মকর্তার মাদরাসা শিক্ষা সম্পর্কে সম্মুখ কোনো ধারণা নেই। অথচ তারা মাদরাসা শিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করছেন। মাদরাসা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে দেশে আলাদা মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর চালু হলেও তার প্রধানসহ অধিকাংশ কর্মকর্তারা মাদরাসাবহির্ভূত শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আগত। ফলে মাদরাসা শিক্ষার মৌলিক জ্ঞান না থাকার কারণে আজ এ শিক্ষাব্যবস্থা মাঝিহীন নৌকার মতো ভরা নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছে।
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুল-কলেজ পরিচালনার জন্য স্থাপিত শিক্ষা অধিদফতর পরিচালিত হয় কলেজের একজন অধ্যাপক দ্বারা। বলতে গেলে মাউশি’র সব কর্মকর্তা কলেজ শিক্ষক। অথচ মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ অধিকাংশ কর্মকর্তা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত। আমরা সবাই জানি যে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার প্রথম স্তর হলো প্রাথমিক শিক্ষা, যা সরকারে একটি অগ্রাধিকার খাত। মাদরাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্তর হলো এবতেদারি শিক্ষা, যা আজ চরমভাবে অবহেলিত।
মাদরাসা শিক্ষাকে টিকিয়ে রাখতে হলে এবতেদারি শিক্ষার আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশে কওমি মাদরাসা বলে আরেক ধরনের ধর্মীয় শিক্ষা চালু রয়েছে। বর্তমান সরকার কর্তৃক তাদের ‘দাওরায়ে হাদিস’কে মাস্টার্স সমতুল্য মান দেয়া হয়েছে। ভালো কথা। কিন্তু তাদের কোনো ডিগ্রি এসএসসি, এইচএসসি ও ডিগ্রির সমতুল্য তা কিন্তু কেউ জানে না। এ এক অদ্ভুত ধরনের স্বীকৃতি। আগেই বলেছি যে স্বাধীনতার পর দেশে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। সঙ্গতভাবেই শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামের কলেজগুলোতে অপরিকল্পিত ভাবে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
এবার আসি দেশের শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্রমাবনতিশীল মানের দিকে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেল সাইমন্ডস (কিউএস) ২০২২ সালের জন্য বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাকিং প্রকাশ করেছে। তাতে প্রথম ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালল বা বুয়েটের অবস্থান নেই। গত বছরের মতো এ বছরের তালিকায়ও দেশের শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে রয়েছে। কিউএস তাদের তালিকায় ৫০০ এর পরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করে না। প্রতিষ্ঠানটি একাডেমিক খ্যাতি, চাকরির বাজারে সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা-উদ্ধৃতি, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাতের ভিত্তিতে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং করে।
২০১২ সালে কিউএস’র তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ৬০১ এর মধ্যে। ২০১৪ সালে তা পিছিয়ে ৭০১তম অবস্থানের পরে চলে যায়। ২০১৯ সালে তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও পেছনের দিকে চলে যায়। দেশের শীর্ষ দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কিউএস’র তালিকায় ১০০১ থেকে ১২০০তম অবস্থানের মধ্যে রয়েছে। গত ১০ বছরের মতো এবারও তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)।
এ ছাড়া ২০২২ সালের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ ও হার্ভাড ইউনিভার্সিটি। গত বছরের মতো এবারের তালিকায়ও বিশ্বের ১০০টি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এশিয়ার ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এশিয়ার শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো-সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর ও নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি। তালিকায় এদের অবস্থান যথাক্রমে ১১তম ও ১২তম। এছাড়া শীর্ষ ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ভারতের আটটি ও পাকিস্তানের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এ চিত্র হতাশাজনক। দেশের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানের এই ক্রমাবনতি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় ভিসি নিয়োগ, মেধার পরিবর্তে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগই এমন ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী। এছাড়া গবেষণা খাতে অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একটা কথা আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, শিক্ষা বাঁচলে দেশ বাঁচবে। দেশ বাঁচলে জাতি হিসেবে আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে সামনে এগিয়ে যেতে পারবো।
লেখক : আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
drhasnat77@gmail.com

Alal Group

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email