1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
বিঘায় ৪৩ মণ ধান !! এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কুষ্টিয়ার কৃষক মিলন - বিজয় বাংলা
শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংসদের সহযোগিতায় কয়রায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে করোনা সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন মেধাবীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ^াসী হওয়ার আহবান এমপি বাবু শেরপুরে তালেব ঘাটে ভোলাবাইচ খেলা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় করোনা ও উপসর্গে ১৫জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৪ কুষ্টিয়ায় আরও ১৭ জনের মৃ’ত্যু !! শনাক্ত-৫৭ নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার বগুড়ায় কোলের শিশু মাইক্রোবাসের গ্লাস ভেঙে যাত্রীর কোলে নোয়াখালীতে ঈদ শেষ, পিতা-পুত্র শেষ নোয়াখালীতে মেয়েদের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ,৩ নানার বাড়িতে প্রাণ গেল ভাই-বোনের শিবগঞ্জ ইউএনও উম্মে কুলসুম সম্পা করোনায় আক্রান্ত জ্বর কিছুটা কমেছে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান উড়বে অলিম্পিকের শুরুতে ব্রাজিলের জয়, আর্জেন্টিনার হার চোখ ধাঁধানো ব্যাটিংয়ে সৌম্য-নাঈমের রেকর্ড জুটি পর্নো ব্যবসায় ধনী হয়েছেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ! তিব্বতে প্রথম সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট আর্জেন্টিনার হার, জার্মানির বিপক্ষে জয় ব্রাজিলের রামেকে করোনা ও উপসর্গে ২২ জনের মৃত্যু লকডাউনের প্রথম সকালে ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল ৬ প্রাণ শুরু হলো ১৪ দিনের ‘সবচেয়ে কঠোরতম বিধিনিষেধ’

বিঘায় ৪৩ মণ ধান !! এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কুষ্টিয়ার কৃষক মিলন

  • সর্বশেষ সংস্করণ : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে
বগুড়ার শেরপুর থেকে ছবিটি তুলেছেন আব্দুল ওয়াদুদ

শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
নিজের উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধান চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কৃষক মিলন হোসেন। এক বিঘা জমিতে ধান পেয়েছেন ৪৩ মণ। তার সফলতা দেখে এ ধানের বীজ সংগ্রহে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন অনেকে। একই সঙ্গে এ বীজ গবেষণাগারে পাঠিয়েছে কৃষি বিভাগও।
মিলন হোসেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের চক গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন ছোট মুদি দোকানি। একইসঙ্গে আধুনিক চাষাবাদে রয়েছে তার ব্যাপক আগ্রহ। গতানুগতিক কৃষির পরিবর্তে নতুন জাতের এ ধান উৎপাদনে তিনি সাফল্য পেয়েছেন । লাভজনক হওয়ায় তার দেখা দেখি এলাকার অনেকেই এখন নতুন এ জাতের ধান চাষের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

Alal Group

কৃষক মিলন হোসেন জানান, তিন বছর আগে তিনি ব্রি ধান-৫১ জাতের ধান চাষ শুরু করেন। সে সময় তার জমিতে ভিন্ন ধরনের এক গোছা ধানের গাছ দেখা যায়। অন্য গাছের তুলনায় গাছগুলো বেশ শক্ত, লম্বা ও মোটা। তিনি গাছগুলোকে তুলে ফেলে না দিয়ে অন্য ধানের সঙ্গে রেখে দেন। পরে দেখেন ওই গোছার শীষে অনেকগুলো ধান। তখন তিনি সে ধানগুলোকে আলাদা করে কেটে রেখে দেন। পরবর্তীতে সে ধানগুলো আলাদা করে চারা দিয়ে অল্প কিছু জমিতে চাষ করেন। পরের বছর সেখান থেকে বীজ সংগ্রহ করে পুনরায় দুই বিঘা জমিতে এ ধানের চাষ করেন।
এ ধানের জাতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্য ধানের মতোই এ ধানের চাষ পদ্ধতি। আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ ধানের চাষ করা যায়। গাছের উচ্চতা অন্য ধানের তুলনায় বেশি। গাছগুলো শক্ত হওয়ায় হেলে পড়ে না। আর এক একটি ধানের শীষে ৭০০-৭৫০টি করে ধান হয়। সাধারণ ধানের তুলনায় ছয় গুণ বেশি। ফলে এর উৎপাদনও অনেক বেশি। রোগ ও পোকামাকড়ের হার তুলনামূলক কম। এছাড়া চাল খুব চিকন এবং ভাতও খেতে খুব সুস্বাদু।

Alal Group

ধানের নামকরণ সম্পর্কে তিনি জানান, যেহেতু এ ধানের কোনো নাম নেই তাই তিনি তার মেয়ের নামোনুসারে এ ধানের নাম রেখেছেন ‘ফাতেমা ধান’।
মিলন হোসেন জানান, এ বোরো মৌসুমে তিনি এক বিঘা জমিতে ৪৩ মণ ধান পেয়েছেন। যেহেতু এ ধান ইতোপূর্বে কেউ চাষ করেননি। তাই আশপাশের এলাকার চাষিরা এসে বীজ হিসেবে এইধান কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ৩০০ টাকা কেজি দরে এ ধান বিক্রি করছেন। প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ওপরে তিনি ধান বিক্রি করেছেন।
এ ধান আরও উন্নত করে কৃষকদের হাতে হাতে পৌঁছে দিতে সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

একই এলাকার কৃষক সাইদুল জানান , ‘আমরা যেসব ধান চাষ করি তার তুলনায় এ ধানের ফলন তিনগুণ বেশি। আমরা চাই সরকারিভাবে এ ধান কৃষকের হাতে হাতে পৌঁছে দেয়া হোক।’
কৃষক সেলিম হোসেন জানান, অনেক ফলন হচ্ছে শুনে তিনি কৃষক মিলনের এ ধান দেখতে এসেছেন। মিলনের কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করেছেন। আগামীতে তিনি এ ধান চাষ করবেন।
কুষ্টিয়া জেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বলেন, ‘সাধারণত প্রতিটি ধানের শীষে ১৫০-১৬০টি করে দানা থাকে। কিন্তু কৃষক মিলনের উদ্ভাবিত এই ধানের প্রতিটি শীষে ৭০০-৭৫০টি করে দানা হয়েছে। ধানের ফলন বিঘা প্রতি ৪০-৫০ মণও হতে পারে।’
মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘কৃষক মিলন নিজের চেষ্টায় ব্রি ধান-৫১ জাতের মধ্য থেকে কয়েকটা ধানের গোছা সংগ্রহ করে নতুন এ জাত উদ্ভাবন করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে কৃষকদের আধুনিক ধান চাষে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এরইমধ্যে আমরা কৃষক মিলনের উদ্ভাবিত এ ধানের নমুনা সংগ্রহ করেছি। একইসঙ্গে আগামীতে এ ধানের বিস্তার লাভ করবে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email