‘শেষবারের মতো খাসরাজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।’ জহুরুল ইসলাম

৮২

॥ টি এম কামাল ॥ ১৯৬৯ সনের গণ আন্দোলনের সময় থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে পথচলা শুরু। ১৯৭৯ সন থেকে ২০১২ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪ বছর সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০১২ সালে নির্বাচিত হন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।

জন্মগতভাবেই রাজনৈতিক ঐতিহ্য সচেতন জহুরুল চেয়ারম্যানের নানা মরহুম আব্দুল হামিদ তালুকদার ছিলেন হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির রাজনৈতিক সহকর্মী। আমার বড় ভাই মরহুম আবুবক্কার ছিদ্দিক ছিলেন শহিদ এম মনসুর আলীর রাজনৈতিক সহকর্মী। ১৯৭১ সালে তিনি এবং তার ভাই মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রাজনীতির প্রথম পাঠ শুরু করেছিলেন ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। ১৯৭৩ সালে বগুড়াতে তিনি পেয়েছিলেন স্বাক্ষাৎ।

২০১৮ সালের উপনির্বাচনে প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে খাসরাজাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। এখন অবধি সেই পদে নিষ্ঠার দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি শেষবারের মতো চেয়ারম্যার পদে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে চান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘দলের চরম দুঃসময়েও ইউনিয়নের নেতাকর্মিদের পাশে দাঁড়িয়েছি। সকল ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে দলবলসহ ইউনিয়ন আ’লীগ এবং উপজেলা আ’লীগের দলীয় কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছি। পুরুষানুক্রমে আমাদের পরিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে আসছে। বর্তমানেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে দলের জন্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দল আমাকে জীবনের প্রায় শেষ বয়সে শেষবারের মতো খাসরাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।’

খাসরাজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম আরও জানান, আমার প্রাণপ্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম আমাকে সৎ এবং ন্যায়নীতি বজায় রেখে রাজনীতি করার যে দীক্ষা দিয়েছেন আমৃত্যু তার সে সম্মান আমি বজায় রাখবো ইনশাআল্লাহ। বর্তমানের এমপি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় আমাকে মুরব্বী বলে সম্মোধন করেন। উনি আমার শেষ বয়সের চাওয়াকে মূল্যায়ণ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’ আল্লাহ আমার নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করুন। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আল্লাহ নেক হায়াত দান করুন। তিনি যেভাবে বলিষ্ঠ হাতে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। আমি তার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই। এজন্যে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.