সাদা-কালোয় রহস্যময়ী মিথিলা

মিথিলার রূপে মুগ্ধ এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলার সবাই। তবে দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই নানা সমালোচনা ও কটাক্ষের শিকার হন মিথিলা। কখনও তিনি নাটোরের বনলতা সেন। কখনও অরুণিমা সান্যাল। কখনও তিনিই যেন কবির কবিতা। কখনও কবির সৃষ্ট ‘চরিত্র’ হয়ে ওঠা। এভাবেই আবারও জীবনানন্দ দাশ। আবারও তার সৃ্ষ্ট ‘নারী’কে কল্পনার জগৎ থেকে মাটির পৃথিবীতে নামিয়ে আনা।

গত আগস্টে মিথিলা হয়ে উঠেছিলেন জীবনানন্দের বনলতা সেন। সাদা-কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে স্নিগ্ধ আলোর মতো ফুটে উঠেছিলেন রঙিন শাড়িতে। তার খোলা চুল হয়ে উঠেছিল তার আবরণ। ‘পাখির নীড়ের মতো চোখ’ না তুলেই অদ্ভুত মায়া ছড়িয়েছিলেন ফ্রেম জুড়ে।
সেই সাহসী ছবিতে এক দিকে নেটাগরিকদের ঢালাও প্রশংসার বন্যা, ‘আপনাকে বনলতা সেনের চেয়েও সুন্দর লাগছে।’ অন্য দিকে উঠেছিল সমালোচনার ঝড়। মিথিলা সেদিন জানিয়েছিলেন, আবারও তিনি ফিরে আসবেন একইভাবে; একই সাজে। জীবনানন্দের অন্য কোনও কবিতার ‘নারী’ হয়ে। এবার তিনি ফিরলেন অরুণিমা সান্যাল হয়ে। একইভাবে, একই সাজে। পার্থক্য একটাই। এবারের সাজে কোনও রং নেই। সাদা-কালোর ফ্রেমে মিথিলা শুধুই তার প্রিয় কবির কবিতার চিরন্তনী নারী।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.