কুষ্টিয়া সদরসহ ৪টি পৌরসভার প্রতিক বরাদ্ধ  

১৬
শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : 
কুষ্টিয়া সদরসহ ৪টি পৌরসভার প্রতিক বরাদ্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার ছিল মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের শেষ দিন। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সভা কক্ষে জেলা রিটানিং অফিসার লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে প্রতিক বরাদ্ধ অনুষ্ঠানে মেয়র, কাউনিন্সলর, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। কুষ্টিয়া সদর পৌরসভায় আওয়ামীলীগ মনোনীত আনোয়ার আলী নৌকা ও বিএনপি প্রার্থী বশিরুল আলম চাঁদ ধানের শীষ প্রতিক পেয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীগণের মধ্যে লটারির মাধ্যমে প্রতিক বরাদ্ধ দেয়া হয়। ভেড়ামারা, মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ একই সময়ে উপজেলা সভা কক্ষে মেয়র ও কাউন্সিলর দের প্রতিক বরাদ্ধ প্রদান করেন। এর মধ্যে ভেড়ামারা উপজেলায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী শামিমুল হক ছানা নৌকা, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামীম রেজা ধানের শীষ প্রতিক পেয়েছেন। এ ছাড়াও কুমারখালীতে আওয়ামীলীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র সামজুজ্জামান অরুণ নৌকা, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুর রহমান ধানের শীষ, মিরপুুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এনামুল হাজী নৌকা ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রহমত আলী ধানের শীষ প্রতিক পেয়েছেন। কুষ্টিয়া সদরে পৌর সভার মেয়র প্রার্থী ৩ জন ২১টি ওয়ার্ডের ১৩৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। তার মধ্যে ১৫, ১৪ ও ১৯ নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ১৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতিক বরাদ্ধের পর নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেছেন। ৭টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদের বিপরিতে ৩৫ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিক বরাদ্ধের পর জেলা প্রশাসক সভা কক্ষে থেকে বেরিয়ে দলীয় নেতা কর্মিরা মনোনীত ব্যক্তির পক্ষে ভোট চেয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা কুষ্টিয়া সদর পৌরসভার নির্বাচন আগামী ১৬ ই জানুয়ারী। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গণসংযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা বেড়েই চলেছে। তবে মেয়র পদে লড়াই হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। লড়াই হবে ২১টি ওয়ার্ডে ১৩৩ কাউন্সিলর পদের বিপরিতে। নির্বাচনে প্রতিদ্ব্দীতা করবেন। এবং মেয়র পদে কুষ্টিয়া সদরে এবারও আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার আলী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী রয়েছেন সদ্য বিলুপ্তি মজমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বশিরুল ইসলাম চাঁদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আখন্দ। এরা কেউই বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদি বর্তমান মেয়র আনোয়ার আলীর প্রতিদ্বন্দীতার কাছেও যেতে পারবেন বলে জনমনে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। ২১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদের জন্য ১৩৬ জন মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছিলেন। এর মধ্যে ১৪,১৫ ও ১৯ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ১৮টি ওয়ার্ডে ১৩৩ জন প্রার্থী কাউন্সিলর পদের জন্য গতকাল প্রতিক পাওয়ার পর নির্বাচনী লড়াইয়ে অবর্তিণ হবেন।
জানা যায়, কুষ্টিয়া পৌরসভা ১৮৬৯ সালের ১লা এপ্রিল মজমপুর, বাড়াদি (আংশিক), মঙ্গল বাড়িয়া (আংশিক) হরেকৃষ্ণপুর, কমলাপুর, চৌড়াহাস(আংশিক), আড়ুয়াপাড়া এবং বাহাদুরখালী মৌজা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া পৌরসভা। এর পর থেকে ১৯৮১ সালে প্রথম এরপর কয়েকধাপে ২০১৬ সালে শেষ বারের মত সীমানা পুন নির্ধারিত হয়ে বর্তমানে ২১ টি ওয়ার্ড নিয়ে কুষ্টিয়া “ক” শ্রেনীর পৌরসভা গঠিত হয়। কুষ্টিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত প্রশাসন দিয়ে পরিচালনা হত। এর পর ১৯৭৪ সালে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় মোঃ আব্দুর রহীম। ২০০১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচনে শেষ বারের মত নির্বাচিত হয় খন্দকার ইসরাইল হোসেন আফু। ২০০৪ নির্বাচনে আনোয়ার আলী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সে বছরেই (২০০৪ সালে) কুষ্টিয়া পৌরসভা পদার্পন করে মেয়রের যুগে। ২০১৬ সালে প্রথম মেয়র নির্বাচনেও বিপুল ভোটে আনোয়ার আলী নির্বাচিত হয়। কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১৫৩ জন প্রার্থী। তার মধ্যে তিন জন মেয়র প্রার্থী। তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত পৌরসভার একাধিক বার নির্বাচিত মেয়র আনোয়ার আলী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) থেকে বিলুপ্ত ৩ নং মজমপুর ইউনিয়নের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান বশিরুল আলম চাঁদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আব্দুল্লাহ আখন্দ। ৭ টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদের বিপরিতে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৩৫ টি। ১,২,৩ নাম্বারে ৭ জন তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর শাহনাজ সুলতানা বনি, কানন আহমেদ, ইন্দিরা বিশ্বাস, মোছা সাজিদা খাতুন, মোছাঃ রেহানা আহমেদ, মোছাঃ খুশি ও মোছাঃ মাফু। ৪,৫,৬ নাম্বারে ৬ জন তারা হলেন, মিসেস আনোয়ারা ইসলাম, মোছাঃ নূরজাহান, আফরোজা সুলতানা, ফারহানা রহমান, সানজিদা পারভীন পলি, মোছাঃ পারভিন ইসলাম। ৭,৮,৯ নাম্বারে ৭ জন তারা হলেন, মোছাঃ আসমা খাতুন, মোছাঃ আনারকলি, হালিমা খাতুন, শাহিদা পারভিন, মমতাজ জাহান, বনানী রশিদ, আফসানা আইরিন আমেনা। ১০,১১,১২ নাম্বারে ৩ জন তারা হলেন, রুপালি পারভিন, নূরজাহান বেগম, ফাহিমা ফেরদৌস। ১৩,১৪,১৫ নাম্বারে ৪ জন তারা হলেন, মোছা সমেলা খাতুন, তাসলীমা খাতুন, ফাহিমা বেগম,আফরিদা পারভিন। ১৬,১৭,১৮ নাম্বারে ৫ জন তারা হলেন, মোছাঃ হালিমা খাতুন, সৈয়দা সনিয়া ফেরদৌস, সামছুন্নাহার মায়া, মোছাঃ রেখা বেগম, মোছাঃ আয়েশা খাতুন। ১৯,২০,২১ নাম্বারে ৪ জন তারা হলেন, মোছাঃ চুমকি খাতুন, মোছাঃ জিনাত খাতুন, মোছাঃ পারভিন হোসেন, নাজমা খাতুন। মোছাঃ জিনাত খাতুন ও মোছাঃ পারভিন হোসেন তারা সম্পর্কে ননদ ও ভাবি, থাকেন একই বাড়িতে। পৌরসভার ২১ টি সাধারন ওয়ার্ডে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১১৫ জন। এদের মধ্যে পৌর ১ নং ওয়ার্ডে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৭ টি এরা হলেন রবিউল ইসলাম, আবু মনি সাকলায়েন এলিন, মনিরুল ইসলাম, আজাদ বিশ্বাস দুলাল, আতিকুজ্জামান ছন্দা, মিজানুর রহমান ভিজা, নাইমুল ইসলাম। ২ নং ওয়ার্ডে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৪ টি তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর খন্দোকার মাজেদুল হক ধীমান, শিহাব আহম্মেদ স্বদেশ, অশোক কুমার বিশ্বাস, আইয়ুব হোসেন। ৩ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪ জন তারা হলেন, এস.এম.আতাউল গনি ওসমান, টুটুল মোল্লা, এনামুল হক বাবু, বদরুল ইসলাম। ৪ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৭ জন তারা হলেন, শামীম রেজা ডিউক,খান-এ করিম অকুল, বদরুল বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম মামুন, রক্তিম উদ্দিন, শফিকুর রহমান শফিক, নাহিদ মজমাদার। ৫ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৭ টি তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর সাইফুল হক মুরাদ, এস.এম. তৌফিকুর কবীর তুহিন, আনোয়ার হোসেন, ওয়ালিউল ইসলাম চৌধুরী, মিয়া মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ,শাফিন আহম্মেদ, সজিবুল ইসলাম সজিব। ৬ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিলেন ৬ জন তারা হলেন, আসাদুল হক, হাসান মন্ডল, আকতার হোসেন, ইরফান হোসেন, শহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম। ৭ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন তারা হলেন, এইচ এম তানভীর নবেল, আব্দুল মারেক, পিয়ার আলী জমারত, হামিল হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মঈনুল ইসলাম বাবু। ৮ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৫ টি তারা হলেন, শাহাবুদ্দিন, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, শেখ মিজানুর রহমান, কৌশিক আহমেদ, মনিরুল ইসলাম। ৯ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৬ টি তারা হলেন,মোঃ সেলিম, বাপ্পি রায়হান, সাবা উদ্দিন সওদাগর, রইচ উদ্দিন আহমেদ, শামছুল আরিফিন খান, আরিফ মাহমুদ।
১০ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন তারা হলেন, কিশোর কুমার ঘোষ, আশরাফুল আলম, শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা লাভলু, নিজাম উদ্দিন খান, মোঃ ইমরান হাসান। ১১ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪ জন তারা হলেন, মাহবুব খান খোকন, মূসা আল নাহিয়ান, আনিশ কোরাইশী, জিয়াউল হক খোকন। ১২ নং ওয়ার্ড সর্বোচ্চ মনোনয়ন জমা পড়েছে ৮ টি তারা হলেন, ওহিদুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, জামান বিন মুরাদ, রকিবুল ইসলাম, ইসারুল শেখ, শাহিনুর রহমান কানু, হাফিজুর রহমান, আনিসুর রহমান আনিস। ১৩ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪ জন তারা হলেন, মাজহারুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, মোজাম্মেল হক, রবিউল ইসলাম। ১৪ নং ওয়ার্ড থেকে শাহিন উদ্দিন একক ভাবে মনোনয়ন জমা দিলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশনার। কুষ্টিয়া পৌরসভার ইতিহাসে এটিই প্রথম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের ঘটনা। ১৫ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩ জন তারা হলেন, মুহিদুল ইসলাম, সুরুজ, মাহবুব আলম। ১৬ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৮ জন তারা হলেন, কামরুজ্জামান, হেলাল উদ্দিন, রমজান আলী, এ কে শওকত আলী, মঈন উদ্দিন, মোখলেসুর রহমান, আসাদুজ্জামান মিলন, আবু জাহিদ সন্জু। ১৭ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৭ টি তারা হলেন, মানিক শেখ, আব্দুল মমিন, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ ওলিউল্লাহ, শাহানুর আলম, জাহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম। ১৮ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৮ জন তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর শাহাজালাল, আবু মোঃ শফিউর রহমান, সাদিক খান, আনিসুর রহমান কাবিল, মেহেদি হাসান রনি, বেলাল আহমেদ, মিঠুন আহমেদ, মিঠুন আলী। ১৯ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ২ জন তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর মীর রেজাউল ইসলাম বাবু ও সেলিম রেজা। ২০ নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৫ টি তারা হলেন, এজাজুল হাকিম, কামরুল হাসান সবুজ, আবু সাঈদ, সাগর আহমেদ, আব্দুল মতিন। ২১ নং ওয়ার্ড থেকে ৭ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তারা হলেন, ইসলাম শেখ, শফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, শাহিনুর রহমান, কাশেম আলী, সোহেল রানা আশা, রেজাউল করিম।
মঙ্গলবার মনোনয়ন উত্তোলনের শেষ দিন ছিলো। শেষ দিনে সাধারন কাউন্সিলর প্রার্থী ১৪ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী একজন মনোনয়ন উত্তোলন করে নেয়। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ১৫নং ওয়ার্ডের মহিদুল ইসলাম ও ১৯নং ওয়ার্ডের মীর রেজাউল ইসলাম বাবু নির্বাচিত হয়। কুষ্টিয়া সদর পৌরসভা ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুৎফুন নাহার। এবং মিরপুর, ভেড়ামারা ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ স্ব স্ব উপজেলার রিটানিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন। পৌর নির্বাচন কেন্দ্র করে ১৭ নং ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হট্রোগলে ১ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে। ওই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম রবিকে প্রধান আসামী করে ১৫ জনের নামে একটি মামলাও হয়েছে। এটাকে বিছিন্ন ঘটনা ভেবে জেলার মানুষ নির্বাচন কেন্দ্র করে মনে করেন মেয়র পদে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে লড়াই হবে কাউন্সিলর পদের বিপরিতে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.