1. zahersherpur@gmail.com : abu zaher Zaher : abu zaher Zaher
  2. Bijoybangla2008@gmail.com : bijoybangla :
  3. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  4. mannansherpur81@gmail.com : mannan :
  5. wadut88@gmail.com : wadut :
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঈদে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাৎপর্যপূর্ণ ইসরায়েলকে সমর্থন: ডেমোক্রেটদের তোপের মুখে বাইডেন ভারতফেরত ৩ শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ গোলরক্ষকের গোলে শেষ রক্ষা লিভারপুলের বগুড়ার মালগ্রামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত বগুড়ায় নাগর নদে ডুবে শিশু নিহত বগুড়ায় ফ্রি ফায়ার গেম খেলতে না পারায় কিশোরের আত্মহত্যা বগুড়ায় মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় তরুণ আইনজীবী নিহত শাজাহানপুরে তুলার গোডাউনে আগুন করোনা আতঙ্কেও প্রকৃতির কোলজুড়ে হাসছে অপরূপ কৃষ্ণচূড়া আর সোনালু ঈদের দ্বিতীয় দিনে বাড়ল করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত চলমান বিধিনিষেধ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ইতালিতে বাংলাদেশি নারীদের ঈদ পুনর্মিলনী ‘কাজ না করলে পয়সা বেশি কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশী কৃষককে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ পলাশবাড়ীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত- ১ আহত-২ শিবগঞ্জে নাবালিকা ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক চাচা গ্রেফতার বগুড়ায় ৫০ নমুনায় শনাক্ত ৮ আজ সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

কাজিপুরে গো-খাদ্যের দামে আগুন

  • সর্বশেষ সংস্করণ : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

॥ টি এম কামাল ॥ কৃষি নির্ভর সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে গরুর খাবার খড়ের সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। করোনার কারণে অর্থনৈতিক মন্দা ভাব সারা বিশ্বের মত কাজিপুরেও দেখা দেয়। অতিবর্ষণ ও বন্যা মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে দেখা দেয় গ্রামাঞ্চলে। এতে বাড়ী-ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হলেও কৃষকেরা নিজ জীবনের পাশাপাশি গবাদি পশুকে রক্ষা করে উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে গবাদি পশুর অন্যতম খাদ্য খড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় গো-খাদ্যের চরম সঙ্কট দেখা দেয়। সুযোগ বুঝে বেপারীরা নেমে পড়ে খড়ের ব্যবসায়।

Alal Group

কাজিপুরসহ যে সকল এলাকায় বন্যা দেখা দেয়নি সে সব এলাকায় তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে খড় সংগ্রহে। বেপারীদের বেপরোয়া আচরণে এসব অঞ্চলে ধানের চেয়ে ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি দাম হয়ে যায় খড়ের। খামারির পাশাপাশি কৃষক পড়ে যায় চরম বিপদে। তবে খামারিদের চেয়ে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে সাধারণ কৃষক। কেননা গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি কৃষকের ঘরে এক-দুটি করে গরু থাকে। গরুর দুধ বিক্রির পাশাপাশি কোরবানির সময় গরু বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করে থাকে কৃষক। গরু পালনের জন্য সাধারণত আমন ধানের খড় গো-খাদ্যের উপযোগী হওয়ায় কৃষক তা যত্ম সহকারে সংরক্ষণ করেন। একইসাথে আমন খড় বাড়ির চালা (ছাদ) ছাউনিতেও ব্যবহার হয়ে থাকে। ফলে পরবর্তী আমন ধান না উঠা পর্যন্ত এই খড় দিয়ে পালন করা গরুর খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করে থাকে। এর মাঝে বোরো ধান উঠলেও এ থেকে লম্বা বা থোক হিসাবে খড় পাওয়া যায় না। এছাড়া বোরোর খড় গবাদিপশু সে রকমভাবে খায় না। ফলে গো-খাদ্যের জন্য আমন খড়ের চাহিদা সর্বাধিক। তবে খামারিরা খড়ের পাশাপাশি আবাদ করা ঘাস, চালের খুদ, ফিড ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে। খড়ের সঙ্কট এবং দাম আকাশচুম্বি হওয়ায় খাদ্যের অভাবে গরু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে কৃষক।

চলতি বছর অতিবর্ষণ ও একাধিকবার বন্যার কারণে উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় খড়ের তীব্র সঙ্কট দেখা দেয়। গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ৪ থেকে ৫ দফা বন্যা হয়। বন্যা ও নদী ভাঙনে বাড়ী-ঘর সব শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই এসব এলাকায় গো-খাদ্যের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। অতিবর্ষণ ও বন্যার ফলে এই এলাকার কৃষকদের ঘরে খড়ের মজুদ ছিল। কিন্তু বন্যা কবলিত এলাকায় খড়ের চাহিদার কারণে বেপারীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে গ্রামাঞ্চলে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি দামে খড় কিনতে থাকে ব্যাপারীরা। ট্রাক, ট্রাকটর ভর্তি করে নিয়ে যেতে থাকে বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে। ট্রাক ভর্তি করে এসব খড় নিয়ে যাচ্ছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায়। এসব এলাকায় গো-খাদ্য খড় সোনার হরিণের মত হয়ে গেছে। এদিকে করোনার কারণে চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়া কৃষকেরা নিজেদের প্রয়োজনের কথা ভুলে গিয়ে চড়া দামে খড় বিক্রি করে দেয়। একপর্যায়ে কাজিপুরেও খড়ের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। খাদ্য সঙ্কটের কারণে কাজিপুরে খামারি ও কৃষকেরা গরু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

কাজিপুরের প্রতিটি গ্রামে বেপারীরা চসে বেড়াতে থাকে খড়ের জন্য। সাধারণত একভার ৪’শ টাকা দরের খড়ের দাম লাফিয়ে ৬শ’ টাকায় উঠে যায়। ফড়িয়ারা এসব খড় ভটভটি ও নৌকা ভাড়া করে নিয়ে যেয়ে বন্যা কবলিত এলাকায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছে। বেপারী আবদুল খালেক জানান, ভটভটি ও নৌকা ভর্তি করে খড় নিয়ে গেলেই টাকা। বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলিতে চালের জন্য যত হাহাকার নয় তার চেয়ে চাহিদা খড়ের। ঐ সব এলাকার কৃষকেরা খড়ের গাড়ীর অপেক্ষায় বসে থাকে। পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে যে এখন টাকা দিয়েও খড় পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি ভূষি, চালের গুড়াসহ অন্যান্য গো-খাদ্যের দামও বেড়ে গেছে। এদিকে খড় সঙ্কট দেখা দেয়ায় গ্রামের ভূমিহীন কৃষকেরা এখন ভ্যান ও সাইকেলে করে খড় বিক্রি করার ব্যবসায় নেমে পড়েছে। অজো পাড়া-গাঁ থেকে খড় কিনে উপজেলা শহর ও আশপাশ এলাকায় ফেরী করে খড় বিক্রি করছে। ষাটোর্ধ আবুল হোসেন জানালেন, ভ্যানে খড় বিক্রি করে প্রতিদিন সংসার চালানোর খরচ উঠে আসে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ বিজয় বাংলা
Theme Download From ThemesBazar.Com
RSS
Follow by Email