মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সন্তান হত্যার বিচার করুন

0 51

।। বিজয় বাংলা বিডি ।।  আমার দেখা বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত এক সৈনিক বগুড়া জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম আজম। তার মাঝে যে নীতি আদর্শ দেখেছি তা অনেকটাই বঙ্গবন্ধুর সাথে মিলে যায়। বঙ্গবন্ধু যেমন জীবনের বেশির ভাগ সময় কারাগারে কাটিয়েছেন তেমনি আওয়ামী রাজনীতি করতে গিয়ে এসএম আজমও শিকার হয়েছে হামলা মামলার। বরণ করেছেন কারাগার। তবুও অন্যায় এর কাছে কখনও মাথা নত করে নাই। ১৯৯৬ সালে যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মানুষ এর ভোট ও ভাতের অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল সেদিন চান্দাইকোনার ভুইয়াগাতী ময়দানে এসএম আজমের নেতৃত্বে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। সেদিন খালেদা জিয়ার পুলিশ বাহিনীর গুলিতে জীবন দেয় আনন্দ, বুলবুল, জসমত ও রানা। রানা ছিল আজমের আপন ভাতিজা। তারপর আন্দোলন তীব্র আকার ধারন করে সারা বাংলার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে, আন্দোলনের মুখে নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সরকার। মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পায়।
বাংলার মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার দু:খী মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করতে থাকে। তখন কিছু বিদেশী কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র শুরু করে। বাংলার মুর্খ বোকা মানুষদেরকে ধোকা দিয়ে আবারও ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে। আবারও শুরু হয় আওয়ামী নেতাদের উপর নির্যাতন ও নিপীড়ন। বিএনপি জামাত নীলনকশা তৈরী করে একের পর একে হত্যা করতে থাকে আওয়ামী লীগের নেতাদের। এই নীলনকশার শিকার হয় বগুড়া জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম আজম। ২০০২ সালের ২০ জুলাই দিনে দুপুরে হেফজখানার ভিতরে কোরআন শরীফ পাঠরত অবস্থায় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। সেদিন আমাদের নেত্রী আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি আমাদের মা জননেত্রী শেখ হাসিনা এসএম আজমের লাশ দেখতে আসেন। আমাদের মা কথা দেন আজম হত্যার বিচার করা হবে। আজ ১৮ বছর গত হলেও আজম হত্যার বিচার হয় নাই। কষ্ট পাই যখন দেখি আজমের খুনীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। তাই আজ আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী, আমাদের মায়ের কাছে আকুল আবেদন আপনার সন্তান হত্যার বিচার করুন। এমন বিচার করেন যাতে আপনার সন্তানদের হত্যার আগে কোটি বার ভাবতে হয় তাদের। আর যদি সঠিক বিচার না করেন তাহলে আপনার সন্তানদের আবারও হারাতে হবে। আপনার সন্তানরা আপনাকে কতটুকু ভালবাসে তার প্রমাণ আপনার সন্তানরা দিয়েছেন ২১ আগেষ্ট তার প্রমাণ আপনি পেয়েছেন। নিজের জীবন দিয়ে আপনাকে বুলেট থেকে নিরাপদ রেখেছে। আপনার সন্তানরা মরতে জানে, হারতে জানে না।

মো. হেদায়েতুল ইসলাম রঞ্জু
সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগ
সীমাবাড়ী ইউনিয়ন শাখা, শেরপুর,বগুড়া।

Loading...