২৭ মাসে ১২বার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার গাজিউর

0 31

।। আব্দুল ওয়াদুদ ।।   বগুড়ায় কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রেখে শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভায় সেপ্টেম্বর মাসে চৌকস কার্য সম্পাদনের জন্য তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই সভার সভাপতি পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ২৭ মাস ধরে শেরপুর সার্কেলে কর্মরত রয়েছেন। এই ২৭ মাসে তিনি চৌকস কার্য সম্পাদনের জন্য ১২বার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি চলতি বছরে অর্জন করে নিয়েছেন আইজিপি পদক। এছাড়া তিনি তার পুলিশী কর্মজীবনে ৪০টিরও অধিক ক্লুলেস হত্যা মামলা, ১৭টি ডাকাতি মামলাসহ অসংখ্য মামলার রহস্য উদঘাটন করেছেন।

গাজিউর রহমান ২৯ তম বিসিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে ২০১১ সালে যোগদান করেন। সেই থেকে তিনি দিনাজপুর সদর সার্কেল, সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন, ৪র্থ এপিবিএন বগুড়া, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বগুড়া পুলিশ হেডকোয়াটার্সে কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষে তিনি ২০১৮ সালের ২১শে জুন বগুড়ার শেরপুর সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

২০১৮ সালে শেরপুর সার্কেলে যোগদানের পর থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন গাজিউর রহমান। বৈশ্বিক করোনা মহামারীতেও তিনি তার সার্কেল এলাকায় দিন রাত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে গেছেন। মাঠপর্যায়ে জীবন বাজি রেখে কাজ করতে গিয়ে তিনি নিজেই কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি মাদক, জুয়া, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তথা অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

গাজিউর রহমান শেরপুর সার্কেলে যোগদানের পর থেকেই বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, নিরপরাধ মানুষ যেন পুলিশী হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা, জনগণ ও পুলিশের মাঝে সম্পর্ক বৃদ্ধি, মামলার তদন্তের গুণগত মানের পরিবর্তন, মাদক ও মাদক ব্যবসা এবং ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে কঠোর অবস্থান, ক্লুলেস হত্যাকান্ড, ডাকাতি ও চুরির মামলা নিজেই তদন্ত করাসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

Loading...