করোনাভ্যাক নিরাপদ ও দ্রুত প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়তে সক্ষম

দাবি চীনা  সংস্থা সিনোভ্যাকের

0 7

ফাইজার ও মডার্না’র পর এ বর চীনা সংস্থা সিনোভ্যাক বায়োটেক দাবি করলো তাদের তৈরি কোভিড-১৯ টিকা ‘করোনাভ্যাক’ নিরাপদ এবং অ্যান্টিবডি তৈরিতে ভালো সাড়া দিয়েছে। সিনোভ্যআক-এর এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিস’ জার্নালে।

সিনোভ্যাক-এর গবেষকদের দাবি, অন্যান্য টিকার থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত করোনাভ্যাক। অন্তত প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল তেমনই ফল পাওয়া গেছে বলে দাবি তাদের। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার প্রাথমিক থেকে মাঝ পর্যায়ের ট্রায়ালে যে ফল পাওয়া যাচ্ছে, তা চূড়ান্ত পর্যায়ে কতটা কার্যকরী হবে, তা বলা এখনই সম্ভব নয়।
সিনোভ্যাকের গবেষক ঝু ফেংসাইয়ের দাবি,‘১৪ দিনের ভিতরে করোনাভ্যাকের দুটো ডোজ দেয়া হয় এই পরীক্ষায় অংশ নেয়া ব্যক্তিদের। তাতে দেখা গেছে ৪ সপ্তাহের মধ্যেই দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।’
ফেংসাই আরো বলেন,‘আমাদের বিশ্বাস এই টিকা মহামারির সময়ে আপৎকালীন ভাবে ব্যবহার করা যাবে।’
করোনার টিকা নিয়ে সিনোভ্যাক-সহ মোট ৫টি সংস্থা কাজ করছে চীনে। প্রত্যকটিই পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সিনোভ্যাকও পরীক্ষার তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছে। এই ট্রায়াল চলছে ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল ও তুরস্কে।

সিনোভ্যাকের আরেক গবেষক গ্যাং ঝেংয়ের দাবি, দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরির পাশাপাশি করোনাভ্যাকের আরো একটা ভালো দিক হলো- এই টিকা রেফ্রিজারেটরে সাধারণ তাপমাত্রা অর্থাৎ ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সংরক্ষণ করা যাবে। এবং ৩ বছর পর্যন্ত সুরক্ষিত থাকবে।
করোনা টিকা সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে প্রায় একই রকম দাবি করেছে মডার্না। তাদের দাবি, মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৬ মাস পর্যন্ত অক্ষত ভাবে মজুত করা যাবে টিকা। সাধারণ বাড়ির রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ দিন পর্যন্ত রাখা যাবে। ঘরের তাপমাত্রায় ১২ ঘণ্টা ঠিক থাকবে। আবার ফাইজারের তৈরি ভ্যাকসিন মজুত করতে আল্ট্রা কোল্ড-স্টোরেজ প্রয়োজন। মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এটি ছ’মাস মজুত রাখা যাবে। সাধারণ রেফ্রিজারেটরে মাত্র ৫ দিন পর্যন্ত ঠিক থাকবে। সে দিক থেকে করোনাভ্যাক অনেকটাই এগিয়ে বলে দাবি ঝেং-এর।

সিনোভ্যাক সূত্রে খবর, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ায় করোনাভ্যাক দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। আনন্দবাজার

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না।