আদমদীঘিতে ধানক্ষেতে পোকা দমনে পার্চিং ও আলোক ফাঁদ সাড়া জাগাতে পারেনি 

0 9

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এবার ধানক্ষেতে পোকা দমনে আধুনিক পদ্ধতি পার্চিং ও আলোক ফাঁদ কার্যক্রম কৃষকদের মাঝে সাড়া জাগাতে পারেনি কৃষি বিভাগ। দুই এক স্থানে পার্চিং ও আলোক ফাঁদ ব্যবহারে ধানক্ষেতের পোকাদমন প্রদর্শনী করা হলেও কৃষকরা তাতে সাড়া না দিয়ে ধান ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে পদ্ধতি ব্যবহার করেই ধান ক্ষেতে পোকামাকড় দমন করছেন। পার্চিং ও আলোক ফাঁদ পদ্ধতিতে তেমন ফলাফল ও সাড়া না পাওয়ায় তারা ক্ষেতের পোকা দমনে আগের মতো কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকরা বেশি আগ্রহি হচ্ছে।

জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১১ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগন মাঝে মধ্যে কৃষকদের নিকট গিয়ে ধানক্ষেতে পাচিং ও আলোক ফাঁদ পদ্ধতিতে পোকামাকড় দমনের পরামর্শ ও প্রদর্শন করে। কিন্ত এই আধুনিক পদ্ধতি পার্চিং ও আলোক ফাঁদ কৃষকদের মাঝে তেমন সাড়া জাগাতে পারেননি। কৃষকরা আগের পদ্ধতি কীটনাশক স্প্রে ব্যবহারে ক্ষেতের পোকা দমনে আগ্রহি রয়েছেন। উজ্জলতা গ্রামের কৃষক তবিবর রহমান, কাশিমালা গ্রামের মিজানুর রহমান মিজা, শালগ্রামের আব্দুল খারেক, তেতুঁলিয়া গ্রামের নাছিন মন্ডলসহ অনেক কৃষকরা জানান, ধানক্ষেতে পার্চিং ও আলোক ফাঁদ পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষি অফিস কৃষকদের মাঝে তেমন আগ্রহ সৃষ্টি করতে না পারায় তারা গতানুগতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ধানক্ষেতের পোকামাকড় দমনে বেশি আগ্রহি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, পার্চিং ও আলোক ফাঁদ পদ্ধতি সুবিধা জনক হলেও কৃষকদের মাঝে সচেতনা সৃষ্টি করতে কৃষি বিভাগ সার্বক্ষনিক কাজ করে আসছে।

Loading...