সাভারে সীমিত পরিসরে চামড়া কিনছেন ট্যানারি মালিকরা

0 5

চামড়া সংগ্রহ ও মজুদের সবচেয়ে বড় সুযোগ থাকে ঈদুল আজহায়। প্রতিবারের মতো এবারো পশুর চামড়া সংগ্রহ করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ট্যানারি শিল্প নগরী সাভারে সীমিত পরিসরে আসতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর চামড়া।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে সাভার ট্যানারি এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, এ বছর প্রতিবর্গ ফুট চামড়ায় ১০ টাকা কমানো হয়েছে। ঢাকায় লবণ মাখা প্রতিবর্গ ফুট গরুর চামড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ছাগলের চামড়া প্রতিবর্গ ফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে প্রতিবর্গ ফুট গরুর চামড়া ২৮ থেকে ৩২ টাকা এবং ছাগলের চামড়া প্রতিবর্গ ফুট ১৩ থেকে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সাভার ট্যানারি এলাকায় এখন পর্যন্ত চামড়া বেচাকেনা তেমন একটা জমে উঠেনি। নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাকডাক। কিছুটা নীরব পরিবেশেই বিক্রি হচ্ছে চামড়া। তবে চামড়া বিক্রি করে খুব একটা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এ জন্য তাদের মন খারাপ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাভার এলাকার এক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় স্থবির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খাত। তাই এ বছর কোরবানির ঈদে ৭ হাজর পশুর চামড়া কিনেছেন। আগের কোরবানির ঈদগুলোতে এর ৩ গুণের বেশি চামড়া ক্রয় করতেন তিনি।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে সাভার ট্যানারি এলাকায় চামড়া বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। যদিও এ বছর চামড়ার দাম কম। এ কারণে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সাভার ট্যানারিতে চামড়া বিক্রি করবেন তিনি। আরেক মৌসুমি ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল সাভারের আশুলিয়ার বাইপাইল, বিশমাইল এলাকা থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। আজ সীমিত পরিসরে সাভার ট্যানারিতে চামড়া বিক্রি করেছেন তিনি। তবে খুব বেশি লাভ হয়নি তার।
মনির নামে এক ব্যবসায়ী জানান, চামড়ার দাম কম নির্ধারণ করায় লোকসান হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। গত বছরের লোকসানের ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এবার লোকসান হলে আর উঠে দাঁড়াতে পারবেন না। তাই অল্প পরিমাণে চামড়া সংগ্রহ করছেন তিনি। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, সাভার ট্যানারিতে সীমিত পরিসরে চামড়া আসতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ পর থেকে পুরোদমে লবণযুক্ত চামড়া কেনা শুরু হবে।

Loading...